ঢাকা: আচমকা পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করেছে ভারত। ফলে প্রতিবেশী দেশগুলি বিশেষ করে বাংলাদেশের পেঁয়াজ বাজারে আগুন। সেঞ্চুরি পার করে বাড়ছেই দাম।

বিবিসি জানাচ্ছে, ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানি কমিয়ে অভ্যন্তরীণ সংকট কাটাতে মরিয়া। এদিকে সরকারি নির্দেশে বাংলাদেশ সীমান্ত দাঁড়িয়ে শয়ে শয়ে ট্রাক। চারদিন পার হয়ে পচন ধরছে পেঁয়াজে। ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত। আর বাংলাদেশের বাজারে শুরু হয়েছে কালোবাজারি সিন্ডিকেট দৌরাত্ম।

বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা। দেশি হাইব্রিড ৯০ টাকা আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অস্থিরতা কাটাতে মিশর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী মাসের শুরুর দিকে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে আমদানি করা পেঁয়াজ। দেশের সব বাজারে পেঁয়াজের কালোবাজারি রুখতে প্রশাসনিক নির্দেশে কাজ শুরু হলেও ক্রেতারা বেশি বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ কিনছেন। তাদের আশঙ্কা আরও বাজে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি নিরবচ্ছিন্ন রাখতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য নয়া দিল্লিকে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশ ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশা করছে। এমনই জানান, বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।