ঢাকা: মৃতের সংখ্যা বাড়লেও সরকার আর লকডাউনের কথা ভাবছে না। অর্থনীতির গতি সচল রাখতেই এমন ভাবা হয়েছে। ঢাকায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম একথা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আসন্ন শীতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবারই করোনাভাইরাসের হামলায় বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার পার করছে। তবে প্রতিবেশি ভারতে মৃত্যুর মিছিল ৮৮ হাজার ছাড়িয়ে উর্ধমুখী।

তবে বাংলাদেশে করোনার সুস্থতার হার বাড়লেও মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ১৫ তম।স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসেবে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৫,০০৭ জনের মৃত্যু হলো।

বিবিসি জানাচ্ছে, বাংলাদেশে গত ১৮ই মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক জনের মৃত্যু হয়। এর প্রায় ছয় মাস পর কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১,৫৫৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ১৭৮ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৬০ হাজার ৭৯০ জন। দক্ষিণ এশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত দেশগুলির মধ্যে ভুটান এখনো মৃত্যুহীন। নেপালে ৪০০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। পাকিস্তানে মৃতের সংখ্যা ৬ হাজারের অধিক।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে এই পরিসংখ্যান। ঢাকায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব জানান, লকডাউনে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অর্থনীতি সচল রাখতেই সরকার এমন ভাবনা থেকে সরে এসেছে। তিনি জানান, পরবর্তী অবস্থা পর্যালোচনা করেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ করোনা আপডেট
বাংলাদেশ করোনা আপডেট

অন্যদিকে, এপার বাংলাতে মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৩১ হাজারের বেশি৷ এদের মধ্যে এই পর্যন্ত ২ লক্ষের বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ ফলে সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশের বেশি৷

মঙ্গলবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে ফের ৬২ জনের মৃত্যু৷ গতকাল সোমবার দৈনিক মৃতের সংখ্যাটা সর্বোচ্চে পৌঁছায়৷ রবিবার ছিল ৬১ জন৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট মৃত্যু ৪,৪৮৩ জন৷

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩,১৮২ জন৷ সোমবার ছিল ৩,১৬৫ জন৷ রবিবার ছিল ৩,১৭৭ জন৷ এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪৮৪ জন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।