ঢাকা: দেশের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ককে ফেসবুক লাইভে খুনের হুমকি দেওয়া ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ মঙ্গলবার অভিযুক্তকে সুনামগঞ্জ থেকে মহসীন তালুকদার নামে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়৷

কলকাতায় কালীপুজোর উদ্বোধন করায় মৌলবাদীদের সমালোচনায় মুখে পড়েছিলেন প্রাক্তন বাংলাদেশ ক্রিকেট অধিনায়ক শাবিক আল হাসান৷ শুক্রবার কাঁকুরগাছির তৃণমূল নেতা পরেশ পালের আমন্ত্রণে ‘আমরা সবাই ক্লাব’-এর কালীপুজোর উদ্বোধন করতে এসেছিলেন বাংলাদেশি তারকা ক্রিকেটার। পুজোর উদ্বোধন করে শুক্রবারই বাংলাদেশে ফিরে যান শাকিব। বাংলাদেশে একাধিক প্রচারমাধ্যমে শাকিবের ভারত সফরে এই কালীপুজোর উদ্বোধন নিয়ে লেখা হয়েছিল।

এই কারণে ফেসবুক লাইভ করে দা দিয়ে কুপিয়ে খুনের হুমকি দেওয়া হল শাকিবকে। কলকাতায় পুজোর উদ্বোধন করার পর থেকেই প্রবল সমালোচিত হচ্ছিলেন প্রাক্তন বাংলাদেশি অধিনায়ক৷ মৌলবাদীদের হুমকির মুখে পড়েন৷ ফেসবুকে লাইভ করে শাকিবকে দা দিয়ে কোপিয়ে খুন করার হুমকি দেয় বছর আটাশের অভিযুক্ত ওই যুবক৷

এরপরই শাকিবের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়৷ পাশাপাশি অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাসি শুরু করে পুলিশ ও ব়্যাব (RAB)৷ এলিট অ্যান্টি-ক্রাইম ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন ও পুলিশ এক সঙ্গে অভিযুক্তের খোঁজ শুরু করে৷ মঙ্গলবারই সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ প্রান্তে এক জনবহূল এলাকা থেকে অভিযুক্ত মহীসিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ এখন জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে অভিযুক্তকে৷ ওর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা শুরু হবে৷

বিতর্কের অবসান ঘটাতে চেয়ে শাকিব ফেসবুক লাইভ করে ক্ষমাও চেয়ে নেন। যদিও কালীপুজো উদ্বোধনের কথা অস্বীকার করেন শাকিব৷ তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ও সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে যে, আমি কিনা, কলকাতায় কালীপুজো উদ্বোধন করেছি৷ কিন্তু এটা পুরো সত্যি নয়৷ আমি কলকাতা গিয়েছিলাম ঠিকই৷ কিন্তু আমি পুজোর উদ্বোধন করিনি৷ পুজোর উদ্বোধন করেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম৷ আমার কাছে আমন্ত্রণ পত্রে পরিষ্কার লেখা রয়েছে, আমাকে ওখানে প্রধান অতিথি হিসেবে ডাকা হয়েছিল৷ তবুও আমি বলছি, আমার আচরণ কারোর খারাপ লাগলে, তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী৷ তবে সবসময় আমি আমার ধর্ম মেনে চলার চেষ্টা করি৷ তবে আমি কাউকে আঘাত করে থাকলে, দয়া করে ক্ষমা করে দেবেন৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I