বালুরঘাট: টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে হারিয়ে বিনা উইকেট হারিয়ে জয়ী হলো ভারতীয় টিম। রবিবার বালুরঘাটে ফাইনালে কলকাতা-র এ এন্ড এস ক্রিকেট একাডেমীর কাছে খড়কুটোর মত উড়ে গেল বাংলাদেশের রয়্যাল রেকো। এদিন ফাইনালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে মাত্র পঞ্চম ওভারেই কোন উইকেট না হারিয়ে চাম্পিয়নের শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে কলকাতা-র এ এন্ড এস ক্রিকেট একাডেমী।

দক্ষিণ দিনাজপুর ডিস্ট্রক্ট প্লেয়ার্স এসোসিয়েশন ও ডেকোরেটার্স কল্যাণ সমিতি-র যৌথ পরিচালনায় গত ১১ফেব্রুয়ারি থেকে বালুরঘাট স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছিল টি-২০ নক আউট ক্রিকেট টূর্ণামেন্ট। ইলা সরকার মেমোরিয়াল নামক এই টূর্ণামেন্টের ফাইনালে এদিন বাইশ গজের মুখোমুখি সমরে নামে বাংলাদেশের রয়্যাল রেকো ও কলকাতা-র এ এন্ড এস ক্রিকেট একাডেমী। টূর্ণামেন্টকে কেন্দ্র করে প্রবল উন্মাদনায় মেতে উঠেছিল সংস্কৃতির শহর বালুরঘাট।

রবিবার টসে হেরে বাংলাদেশের রয়্যাল রেকো ব্যাট করতে নেমে কলকাতা-র এ এন্ড এস ক্রিকেট একাডেমীর বোলারদের দাপটে ১৭.২ ওভারে মাত্র ৭২ রানে গুটিয়ে যায়। বাংলাদেশের রয়্যাল রেকো-র ব্যাটসম্যান কানন ২৩ রান এবং অভিষেক মিত্র ১১ রান করেন। জবাবে কলকাতা-র এ এন্ড এস ক্রিকেট একাডেমী ব্যাট করতে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে কোন উইকেট না হারিয়ে মাত্র ৪.৫ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। বিজয় ভারতী ৩৪ রানে এবং নাজিম সিদ্দিকী ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদেশের রয়্যাল রকো-র ম্যানেজার সেলিমউল্লা মিঠু বালুরঘাট স্টেডিয়ামের মাঠ প্রসঙ্গে বলেন ইডেনের পরেই বালুরঘাট স্টেডিয়ামের বাইশ গজ। টূর্ণামেন্ট শেষে সি.এ.বি-এর এপেক্স কাউন্সিলের সদস্য গৌতম গোস্বামী বলেন বালুরঘাটে এধরণের বড় টূর্ণামেন্ট প্রথম হল। আমরা নতুন জেনারেশনের হাতে সংগঠকের দায়িত্ব দিয়েছিলাম, তারা সফল হয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্লেয়ার্স এসোসিয়েশনকে সংঘবদ্ধ করা এবং জেলার খেলাধুলার উন্নতিসাধন করা। সেই সঙ্গে তিনি এও বলেন যত বেশী করে আমরা খেলাধুলা সংগঠিত করতে পারব ততই আমাদের জেলার খেলাধুলার উন্নতি হবে এটাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।