ঢাকা: বাংলাদেশের রাজধানী শহরের করোনা সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত আন্তর্জাতিক মহল। দি ইকনমিস্ট সংবাদপত্রের রিপোর্টে বলা হয়েছে অন্তত ৭ লক্ষ ঢাকাবাসী করোনার কবলে পড়তে চলেছেন। এই অবস্থায় ফের লকডাউনের পথে সরকার।

রবিবার থেকেই এশিয়ার এই ঘণবসতিপূর্ণ মহানগরে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে লকডাউন। যদিও শনিবারই বিশ্ববিখ্যাত সৈকত শহর কক্সবাজারের পৌর এলাকায় নতুন করে লকডাউন শুরু হয়েছে। টানা দু মাসের বেশি দেশ জুড়ে সাধারণ ছুটি চালানোর পরে সম্প্রতি সেই নিয়ম তুলে নেয় সরকার। শুরু হয় পরিবহণ, অফিসের কাজ। যদিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও বন্ধ। সাধারণ ছুটি তুলে নেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তাঁদের যুক্তি, এর ফলে জনসমাগম বাড়বে এবং করোনা বিরাট আকারে ছড়াবে। একই যুক্তিতে আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশকে লকডাউন তুলতে নিষেধ করে। সরকার জানায়, অর্থনৈতিক গতি চালু রাখতে সাধারণ ছুটি তোলা হয়েছে। আর এর পরেই করোনা সংক্রমণ বড় আকার নিয়েছে বাংলাদেশে।

ঢাকা বিভাগেই সংক্রমণ সব থেকে বেশি। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এই অবস্থায় রবিবার থেকে পুরান ঢাকার ওয়ারী ও ধানমন্ডির রাজাবাজার এলাকাকে লকডাউন করা হচ্ছে। এমনই ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে জোন ভিত্তিক লকডাউন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী ঢাকা সহ বড় বড় শহর এবং জেলা-যেখানে ব্যাপক সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেই এলাকা চিহ্নিত করার কাজ চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, ব্যাপক সংক্রামিত এলাকা রেড জোন আওতায় এনে পুরোপুরি লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প