ঢাকা: বাংলাদেশ তৈরির পর চার দশক পার হতে চলেছে, সুদীর্ঘ সময়ে এই প্রথমবার পুলিশি হেফাজতে বন্দির মৃত্যুর ঘটনায় সুনির্দিষ্ট আইনে মামলা ও রায় দেওয়া হলো।

বিবিসি জানাচ্ছে, ২০১৩ সালে নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু নিবারন আইন প্রণয়ন হয় বাংলাদেশে। এই আইন অনুসারে ২০১৪ সালে পুলিশের হেফাজতে জনি নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৫ জন আসামীর মধ্যে তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। অপর দু জনকে সাত বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনানো হয়েছে।

২০১৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার মিরপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে দুই ভাই ইশতিয়াক হোসেন জনি এবং ইমতিয়াজ হোসেন রকিকে আটক করে পুলিশ। জনির মৃত্যু হয় পুলিশ হেফাজতে।

সেই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের মধ্যে ঢাকার পল্লবী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক জাহিদুর রহমান জাহিদ, এসআই রশিদুল ইসলাম এবং এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু। যাবজ্জীবন ছাড়াও এক লক্ষ টাকা করে জরিমানা এবং দু লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দেন বিচারক। জরিমানা ও ক্ষতিপূরণের অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে আরও ৬ মাস কারাদণ্ডের সাজা বহাল হবে।

এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আবু। যে আইনের অধীনে বিচার হলো তার সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে যাবজ্জীবন। যেখানে যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট।

রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের কথা জানিয়েছেন আসামীপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ।তিনি বলেন, ২০১৩ সালের নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু নিবারন আইন অনুযায়ী জরিমানা করা অর্থ বিচারিক আদালতে জমা দেয়ার আগে আপিল করার সুযোগ থাকে না। কিন্তু এই অর্থ পরিশোধ না করে আপিল করা যায় কিনা সে বিষয়ে তারা একটি রিট করবেন বলে জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।