ঢাকা ও বেনাপোল স্থলবন্দর: শুধু ভারতীয় পণ্যই আসছে বাংলাদেশে। কিন্তু ভারত কোনও পণ্য আমদানি করছে না। দ্রুত আমদানি শুরু করতে নয়াদিল্লি কে চিঠি দিয়েছে ঢাকা। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক বেশকিছুদিন বন্ধ ছিল। পরে তা চালু হয়েছে। ঢাকার দাবি, ভারত একতরফা বাংলাদেশে পণ্য রফতানি করলেও বাংলাদেশের পণ্য গ্রহণ করছে না।

সীমান্তের স্থলবন্দরগুলো দিয়ে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ভারত। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভারত থেকে পণ্য বোঝাই ট্রাক চালকেরা পণ্য নিয়ে যশোরের বেনাপোলে ঢুকতে পারলে কেন বাংলাদেশের ট্রাক চালকদের ওপারে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রাপোলে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এর জেরে ক্ষোভের সঙ্গেই বেনাপোলে শুরু হয়েছে ভারতীয় পণ্য বর্জন।

ঢাকার সংবাদ মাধ্যম ” এন টিভি ” জানাচ্ছে এই খবর। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ঢাকা থেকে নয়া দিল্লিতে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব শুরুর পরপরই গত মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত বেনাপোল, ভোমরা, তামাবিল, হিলি সহ বিভিন্ন স্থলবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গত জুনে বেনাপোল সহ কয়েকটি স্থলবন্দরে ফের কাজ শুরুহয়। এরপর ভারত থেকে পণ্য বাংলাদেশে ঢুকলেও বাংলাদেশি পণ্য ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমন ধরনের একপেশে বাণিজ্যিক আচরণ বৈষম্যমূলক।এর ফলে বাংলাদেশের বাণিজ্য বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে সমাধানের জন্য বিদেশ মন্ত্রক দিল্লিকে চিঠি পাঠিয়েছে। অভিযোগ, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের পণ্য ওপারে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে পাঠানোর অনুমতি মিলছে না। বেনাপোলে চারশ থেকে পাঁচশ রপ্তানি পণ্যবোঝাই ট্রাক আটকে রয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ