ঢাকা: সাড়া জাগানো একেকটি নাশকতার মামলায় দোষী প্রমাণিত হয়ে বহু শীর্ষ জঙ্গি নেতা বন্দি। তাদের জেল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি চিঠি পেয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। ফলে বাংলাদেশের সব জেলে বাড়তি নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হলো।

২০১৪ সালে জেল থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ময়মনসিংহের ত্রিশালে তিন শীর্ষ জেএমবি জঙ্গি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের গাড়িতে গুলি করেছিল জঙ্গিরা। জঙ্গি বোমারু মিজান, সালাহউদ্দিন সালেহীন ভারতে পালায়। পরে আর রাকিবুল ইসলাম গুলিতে মারা যায়। সালাউদ্দিন অধরা। বোমা মিজান ধৃত হয় ভারতে। গুলশন হামলা ও পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় তারা জড়িত।

জেল বন্দি তালিকায় আছে শীর্ষ জেএমবি, নব্য জেএমবি, সহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য, নাশকতার মামলায় ফাঁসির আসামী প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের নাম। কারা অধিগফতর জানাচ্ছে এই হুমকি চিঠি আসার পর বন্দিদের উপর বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে জেলের ভিতরে।

সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক। ঢাকা কেন্দ্রীয় সেন্ট্রাল জেলের সুপার মাহবুব আলম জানান, চিঠি পাঠিয়ে ও ফোনে হুমকি আসার পরেই দিয়েছে সব জেলে স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করতে বলা হয়েছে।

জেলের বাইরের গেটে রক্ষীদের বুলেট প্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট নিশ্চিত করে আগতদের মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করা। ডিউটিতে সশস্ত্র সেন্ট্রি নিয়োগ দেওয়া। অস্ত্র ও অস্ত্রাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মহড়া শুরু হয়েছে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।