ঢাকাঃ   সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে উত্তাল দেশের বিভিন্ন প্রান্ত। রাজধানী দিল্লিতেও ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে, মোদী সরকারের এই আইন পাশ করার পরেই ভারত সফর বাতিল করেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী। যদিও সফর বাতিলের কারণ বাংলাদেশের তরফে এখনও স্পষ্ট করা হয়নি৷

যদিও ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি ও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদেই এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের৷ যদিও বিষয়টি মোটেই তেমন নয় বলে বাংলাদেশের তরফে জানানো হয়। কিন্তু এরপরেও একাধিক বিষয় সামনে আসে। যা নিয়ে অনেকেই বলতে থাকেন, তাহলে কি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে ছেদ।

না, তা যে নয়, প্রমাণ করল বাংলাদেশ। ভারতের মাধ্যমে নেপাল থেকে বছরে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল হাসিনা সরকার। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমনটাই জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, নেপালে নির্মাণাধীন আপার কার্নালি হাইড্রো পাওয়ার প্রজেক্ট থেকে ভারতের মাধ্যমে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। এই জন্য ২৫ বছরে ৩৮ হাজার ১৬০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় হবে।

ফাইল ছবি

নেপালের কার্নালি নদীর উজানে রফতানির উদ্দেশ্যে ৯০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে ভারতীয় কোম্পানি জিএমআর গ্রুপ। সভার সার সংক্ষেপে বলা হয়, ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ক্যাপাসিটিতে প্রতি কিলোওয়াট ৬ টাকা ৪২ পয়সা দরে সর্বোচ্চ ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে ভারতীতের এনটিপিসি বিদ্যুৎ ভাইপার নিগম (এনভিভিএন) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হয়।

অন্যদিকে, নয়াদিল্লির সঙ্গে ‘জয়েন্ট রিভার কমিশন’ বাতিল করেছে ঢাকা, এমনটাই জানা যায়। আজ বুধবার থেকেই দিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দু’দিনের বৈঠক শুরুর কথা ছিল। ওয়াকিবাহল মহলের মতে বৈঠক বাতিল করার মধ্য দিয়ে ভারতকে কূটনৈতিক বার্তা দিল বাংলাদেশ।