বাংলাদেশ করোনা আপডেট
বাংলাদেশ করোনা আপডেট

ঢাকা : এই মুহূর্তে বিশ্ব চিন্তিত করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (ধরণ) নিয়ে। ভারতকে তছনছ করে ইউরোপে পাড়ি দিয়েছে এই নতুন চরিত্রের কোভিড ১৯ জীবাণু। আশঙ্কা সত্যি করে বাংলাদেশেও শনাক্ত হলো সেই ভ্যারিয়েন্ট। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এই তথ্য জানিয়ে দিল।

আইইডিসিআর রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনার ভারতীয় ধরনটি ‘বি.১.১৬৭’ নামে পরিচিত। এই ধরনটি অতি সংক্রামক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেশি ভারতে করোনার সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে এই ধরনটি দায়ী। আইইডিসিআরের কর্মকর্তা ডা. এস এম আলমগীর জানান, ঢাকার বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া এক ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করে এই করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেল।

এই খবর ছড়াতেই বাংলাদেশ জুড়ে চিকিৎসকমহল চিন্তিত। কারণ, করোনার ভারতীয় ধরন অতি দ্রুত বিস্তার ঘটায়। এই ধরনটি আরও তীব্র সংক্রামক। ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির জন্য যে তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু), তার মধ্যে একটি হলো করোনার অতি সংক্রামক ধরনের বিস্তার।

চলছে রমজান। আসছে ঈদ। এদিকে ঈদের কেনাকাটির ধুম লেগেছে ঢাকার বাজারে। অন্যান্য জেলা উপজেলার ছোট বড় সব বাজারে বিপনীতেও ভিড়। কোথাও মানা হচ্ছেনা করোনা সংক্রমণ না ছড়ানোর দূরত্ব বিধি। আশঙ্কা করোনার ভারতীয় ধরনটি ছড়াবার প্রবল সম্ভাবনা। বিদ্যুতের গতিতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ।

সীমান্তের ওপারে করোনায় কাবু ভারত। সীমান্ত লাগোয়া ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলির তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কলকাতার প্রায় সব হাসপাতালের করোনা রোগীর চিকিৎসার চাপে ত্রাহিত্রাহি রব। ভারতে এখনও চলছে অক্সিজেন ও টিকা সংকট। প্রায় প্রতিদিনই করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের নজির ভাঙছে। ভারতে শনিবার পর্যন্ত মোট সক্রিয় করোনা রোগীর পরিমাণ ৩৭ লক্ষ ২৩ হাজার ৪৪৬ জন। মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দু লক্ষ ৩৮ হাজারের বেশি। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ১৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৭৬ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭ লক্ষ ২৩ হাজার ৪৪৬ জন। এই অবস্থায় করোনার ভারতীয় ধরন বাংলাদেশে ঢুকে পড়ল। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ততপর হচ্ছে সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.