ঢাকা: বাংলাদেশে দেবী আরাধনায় ভয়ের পাঁচিল তুলে দিয়েছে করোনাভাইরাস। প্রতিবেশী ভারতের মতো এদেশেও শারদীয় উৎসব ঘটা করে পালিত হয়। মূর্তি তৈরি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার মহালয়া।

পদ্মা,তিতাস,করতোয়া, কর্ণফুলী, ধানসিঁড়ি তীরে দেবী আসবেন যথা নিয়মে। ঘরে ঘরে দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা এসেছে। বাংলাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গাপূজা। মূর্তি তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা।

মহামারী করোনার কারণে এবার দুর্গাপূজার আনন্দ অনেকটা ম্লান। মণ্ডপগুলোতে আলোকসজ্জাসহ নানা ধরনের আয়োজন থাকছে না। মহালয়া থেকে শুরু করে শারদীয় উৎসবের সব ক্ষেত্রেই থাকছে স্বাস্থ্যবিধির কড়া নির্দেশ।

সনাতনী পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশে মহালয়া ১৭ সেপ্টেম্বর। আশ্বিন মাস ‘মল মাস’ মানে অশুভ। এই কারণে আশ্বিনের বদলে দেবীর পূজা হবে কার্তিক মাসে। মহালয়ার ৩৫ দিন পরে।

বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ বড়সড় চেহারা নিয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে কীভাবে হবে দুর্গাপূজা সে অনিশ্চয়তা থাকে। তবে প্রতিমা গড়ার কাজ চলছে। মাটি, বাঁশ, খড়, সুতো দিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।

পূজা উপলক্ষে সরকারের নির্দেশ যথাযথ মেনেই চলতে হবে। জানিয়েছেন বিভিন্ন মণ্ডপ ও বারোয়ারি পূজা সমিতির কর্মকর্তারা। উৎসবের আনন্দে ভাটা পড়ছেই তা একেবারে নিশ্চিত। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দুর্গা পূজা হবে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা।

ঢাকা সহ বাকি সব বিভাগের জেলা উপজেলায় সরকারি নির্দেশ চলে গিয়েছে। করোনা আবহে যে সামাজিক দূরত্ব বিধি নিয়ম জারি আছে তা বজায় থাকছেই।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।