হাসিনা দুর্গা পুজোতে

ঢাকা: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম তথা সংখ্যালঘু হিন্দুদের সর্ববৃহৎ উৎসব দুর্গাপূজা দর্শনের জন্য নতুন নিয়ম জারি হলো। করোনা পরিস্থিতির কারণে সন্ধ্যারতি বা সন্ধ্যার পর সর্বসাধারণের জন্য দুর্গাপূজার মন্দির ও পূজামণ্ডপ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।

বুধবার বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় পূজা উদযাপন পরিষদ। এতে বলা হয়েছে, সন্ধ্যার পর এবার পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা কিংবা আরতি করা থেকে বিরত থাকবেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যেও সারা দেশে এবার ৩০ হাজার ২১৩টি মণ্ডপে পূজা হবে।

গতবছর দুর্গাপূজায় এই সংখ্যা ছিল ৩১ হাজার ৩৯৮টি। গত বছরের চেয়ে চলতি বছর ১ হাজার ১৮৫টি কম। আর ঢাকা মহানগরীতে এবার দুর্গাপূজা হবে ২৩২টি মণ্ডপে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন জনসমাগমে কেউ যেন মাস্ক ছাড়া বের না হয়। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যাবে মর্মেও নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রকারান্তরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সম্পর্কে পুনরায় জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন। দেশের চিকিৎসকরাও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সম্পর্কে জনগণকে বারবার সতর্ক করছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বশরীরে পূজায় অংশগ্রহণ করে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের করোনার কাছে আত্মসমর্পণ করে জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলবেন নাকি এবারের পূজায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবেন, তা আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

আমাদের সবাইকে স্মরণ রাখতে হবে যে, দুর্গাপূজা পাঁচদিনব্যাপী অনুষ্ঠান। সবার অংশগ্রহণে করোনার বিস্তারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই এর দায় নিজের ঘাড়ে নেয়া থেকে দূরে থাকুন। সন্ধ্যারতির পর সর্বসাধারণের জন্য মন্দির বা পূজামণ্ডপ বন্ধ রাখুন। মা সর্বত্র বিরাজমান।

বাড়িতে থেকে আপনার প্রণাম মা নিশ্চয়ই গ্রহণ করবেন। তিনি বঞ্চিত করবেন না তার আশীর্বাদ থেকে। বিজ্ঞপ্তির বার্তা দ্রুত সর্বস্তরের কমিটির নেতাদেরকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I