ঢাকা: নদী পেরিয়ে নৌকা করে ভারতের বসিরহাট চলে যাওয়ার আগেই ধরা পড়ল কোটি কোটি টাকার ভুয়ো করোনা রিপোর্ট তৈরির এক চক্রী মহম্মদ সাহেদ। ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানের পৈত্রিক ভিটে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়।

গোপনে সীমান্ত পেরিয়ে সে চলে যাচ্ছিল। বিজিবি ও অনুসন্ধান বাহিনির হাতে ধরা পড়ে। সাহেদ কে ঢাকায় আনা হচ্ছে।

সম্প্রতি একের পর এক করোনা টেস্ট কেলেঙ্কারির ঘটনায় বাংলাদেশ আলোড়িত।

সরকারের অনুমতি নিয়ে যে সব সংস্থা করোনা টেস্ট করছিল তাদের অন্যতম ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতাল এবং জেকেজি গ্রুপ। বিভিন্ন অভিযোগের পর তদন্তে উঠে আসে জাল করোনা রিপোর্ট দেওয়ার বিষয়টি। জনসাধারণকে লাগাতার ভুয়ো করোনা রিপোর্ট দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এই দুই সংস্থা।

জেকেজির দুই কর্ণধার আরিফ ও তার স্ত্রী সাবরিনা আগেই ধৃত। এবার পুলিশের জালে এলো রিজেন্টের কর্ণধার মহম্মদ সাহেদ।

বুধবার ভোরে র‍্যাব অভিযানে খুলনার সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটার রামগতি সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নদী পেরিয়ে সাহেদ ভারতে পালিয়ে যাবার চেষ্টায় গত কয়েকদিন ধরে সাতক্ষীরাতে গোপনে ছিল সাহেদ।

জানা গেছে, সাহেদের বাড়ি সাতক্ষীরা হলেও তার পৈত্রিক ভিটা ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। সাহেদ নদী পেরিয়ে সেখানেই পালিয়ে যাচ্ছিল। ওপারে ভারতের বশিরহাট জেলা। এর আগেও এভাবেই একই সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন সাহেদ।

তদন্তে উঠে এসেছে, ১৯৪৭ সাসে দেশভাগের সময় মহ. সাহেদ করিমের পরিবার পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে চলে আসে। ১৯৯৮ সালে সাতক্ষীরা সরকারি বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়াকালে সাহেদ করিম নানা অপরাধ করে ঢাকায় পালিয়ে যায়। সেখানে গড়ে তোলে রিজেন্ট হাসপাতাল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.