কলকাতা ২৪x৭: ছড়াতে থাকা করোনাভাইরাস নিয়ে শঙ্কিত বিশ্ব। চিনের পর ইউরোপের ইতালি, স্পেন, ব্রিটেনে মৃত্যু মিছিল। আমেরিকায় চরম বিপর্যয়। ভারতেও বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এই অবস্থায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য কিটের অমিল ও অত্যাধিক মূল্যে সাধারণ মানুষ আকুল পাথারে পড়েছেন। অথচ বাংলাদেশের সংগঠন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র যে কিট আবিষ্কার করেছে তার দাম সেদেশে ৩৫০ টাকা। সেই অনুপাতে ভারতে এই দাম হচ্ছে ৩১১ টাকা।

এদিকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য যে কিট লাগে, সরকারি পরিষেবায় তার সংখ্যা সীমিত। ফলে সরকার বেসরকারি সংস্থাগুলিকে পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে। সেক্ষেত্রে খরচ পড়ছে ৪০০০ টাকার কাছাকাছি। এই বিরাট খরচের ধাক্কা কেমন করে সাধারণ মানুষ নিতে পারবেন সেও প্রশ্ন। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ হতে পারে। বাংলাদেশ সেই নিরিখে প্রবল ধাক্কার মুখে। পরিস্থিতি বিচার করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র সংগঠনটি কিট সরবরাহ করার কথা জানায় বাংলাদেশ সরকারকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তৈরি হচ্ছে সেই কিট। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, এপ্রিলের মাঝামাঝি করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে আমাদের উদ্ভাবিত কিটের নমুনা সরকারের কাছে জমা দিতে পারব। সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকায় করোনার কিট সরবরাহ করার চেষ্টা করব। কিটের কাঁচামাল (রি-এজেন্ট) পেতে দেরি হওয়ায় নমুনা সরবরাহ কিছুটা পিছিয়ে গেছে।

তিন সপ্তাহ আগে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র জানিয়েছিল যে, তারা করোনাভাইরাস শনাক্তের সহজ ও সুলভমূল্যের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। শুক্রবার জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সুলভ মূল্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তকরণের যে কিট আমরা উদ্ভাবন করেছি, তার কাজ চলছে। আমরা হোপফুল স্টেজে আছি।

এর পর সরকারের ক্লিয়ারেন্স পেলে এই আগামী মাসেই আমরা উৎপাদিত কিট বাজারে দিতে পারব। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে এই খবর প্রচারিত হতেই আন্তর্জাতিক মহলে পড়েছে শোরগোল। মনে করা হচ্ছে, কম দামে গণস্বাস্থ্য কিট বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা, ব্যবসায় ধাক্কা লাগবে। তবে বাংলাদেশ সরকার নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে এই কম দামের কিট কি ভারতে পাঠাতে পারবে ? উঠছে প্রশ্ন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও