ঢাকা: বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। সামাজিক সংক্রমণ ছড়িয়েছে। আর সেই আতঙ্ক এমনই যে খোদ স্বাস্থ্যকর্মীকেই গ্রামছাড়া করে রাখা হল। তার জন্য একটি তালপাতার ঝুপড়ি বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভ্যানের উপরে সেই কোয়ারেন্টাইন হাউস ঘিরে বিতর্ক প্রবল।

ঘটনাস্থল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া। গোপালগঞ্জ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব এলাকা। ফলে বিতর্ক আরও জোরদার।  কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের লখন্ডা গ্রামেই এক মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীকে জোর করে এমন রাখা হয়েছে। কারণ, তিনি ঢাকা থেকে ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসেছেন।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী আদৌ করোনা সংক্রামিত কিনা তা স্পষ্ট নয়। ঢাকার করোনা পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাই সেখান থেকে আসার পরেই গ্রামের বাইরে তাকে একঘরে করে রাখা হয়েছে।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে কোনো রক মে ওই স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। তিনি ঢাকার ইমপালস হাসপাতালে চাকরি করতেন। গ্রামের বাড়ি ফিরতেই, এলাকাবাসী তার বাড়ির প্রায় কিছু দূরে শুকিয়ে যাওয়া পুকুরে তালপাতা দিয়ে ঝুপড়ি ঘর তৈরি করে কোয়ারেন্টাইনে রাখেন। অভিযোগ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা প্রশান্ত বাড়ৈ এমন নির্দেশ দিয়েছিল।

ওই স্বাস্থ্যকর্মী বলেন, একজন স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে আমি অনেক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছি। মানুষ যে এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে তা আমার আগে জানা ছিল না। কোটালীপাড়া থানার ওসি শেখ লুৎফর রহমান জানান, ওই স্বাস্থ্য কর্মীকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।