file pic

ঢাকা: প্রথমদিকে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত থমকে গেলেও এবার সেটি বড়সড় আকারের দিকেই যাচ্ছে। লকডাউন উপেক্ষা করে গার্মেন্টস কারখানা খোলা থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্রমিকরা আসছেন। ফলে ছড়াতে শুরু করেছে সংক্রমণ বাংলাদেশে এক দিনেই নতুন করে ১৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ জনে পৌঁছাল। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে পৌঁছে গেল। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক জানাচ্ছে এই তথ্য।

রবিবার নতুন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। গত ৮ মার্চ করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর এটিই একদিনে আক্রান্তের সর্বোচ্চ সংখ্যা। জাতীয় রোগতত্ব বিভাগ সূত্রে খবর, আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আরও তিনজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মোট ৩৩ জন বাড়ি ফিরলেন। ঢাকায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বলে জানান, আইইডিসিআর পরিচালক ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার ১২ জন, নারায়ণগঞ্জের একজন ও মাদারীপুরের একজন রয়েছেন। এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকার লকডাউন ঘোষণা করার পরেও বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানা গুলি কেন খোলা, এই অভিযোগউঠতে শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গার্মেন্টস অর্থাৎ পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা হেঁটে, ফেরিতে প্রবল ভিড় ঠেঙিয়ে ঢাকায় আসছেন। এর থেকেই করোনাভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ দ্রুতছড়াবে বলেই আশঙ্কা। রবিবার ঢাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য সেই আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিল। কিন্তু লকডাউন ভাঙার পালা চলছেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।