ঢাকা: বিতর্কের কারণ লকডাউন চলাকালীন পোশাক শিল্পের কারখানাগুলিতে ছুটি না থাকা। প্রাণ হাতে করে কারখানা আসছেন শ্রমিকরা। প্রবল করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই কারণে বাংলাদেশের রাজধানীকে পুরো অবরুদ্ধ করা হল। ঢাকা মহানগরীতে কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবার আওতায় যাওয়া আসা চলতে পারে। তাক বাইরে কেউ ঢুকতে বার বের হতে পারবেন না। এমনই জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন ঢাকা মহানগর পুলিশের সদর দফতর থেকে এমনই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে কেউ বাইরে যেতে ও ভিতরে আসতে না তেমনই নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

এদিকে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি খোলার খবরে শনিবার ঢাকায় আসার জন্য শ্রমিককদের ঢল নামে। হাজার হাজার শ্রমিক হেঁটে ও বিভিন্ন মাধ্যমে রাজধানীতে আসতে থাকেন। এতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার যে নির্দেশ ভেঙে পড়ে। এর ফলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রবল হতে পারে, এই আশঙ্কায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান রাজধানীমুখী মানুষের ঢল থামাতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।

তারই মাঝে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যে জানা যায় রবিবারই বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত ১৮ জনের দেহে সর্বাধিক করোনা সংক্রমণ হয়েছে। শুধুমাত্র নারায়ণগঞ্জেই ১২ জন করোনা রোগীর সন্ধান মিলেছে।এরপরেই আতঙ্ক আরও ছড়ায়।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করে। জনসমাগম ঠেকাতে নামানো হয় সেনাবাহিনীকে। অভিযোগ, লকডাউন নিয়ম ভেঙে ঢাকার পোশাক কারখানাগুলি খোলা রাখেন মালিকরা। যদিও চাপে পড়ে পরে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানাগুলি পরে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি খোলার খবরে শনিবার রাজধানী অভিমুখে শ্রমিকদের ঢল নামে। এতেই করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে দিয়েছে।