ঢাকা: করোনা সংক্রমণে কাবু বাংলাদেশ। দেড় লক্ষের চৌকাঠে পৌঁছে গেল সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বাধিক সংক্রমণ ও মৃত্যু ভারতে। তার পরেই আছে পাকিস্তান। বিবিসি জানাচ্ছে, বাংলাদেশে সর্বশেষ মোট শনাক্ত হওয়া কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪৯,২৫৮ জনে।

ঢাকায় সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা জানান, মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ১,৮৮৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩,৭৭৫ জন।

বিবিসি জানাচ্ছে, মঙ্গলবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একদিনেই ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর বুধবার দেড় লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছে গেল সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। তবে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২, ৪৮৪জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬২, ১০২ জন।

এদিকে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় জোন ভিত্তিক লকডাউন চলছে। ঢাকার ওয়াড়ি এলাকা ইতিমধ্যে রেড জোন ঘোষিত। সেখানে লকডাউন শুরু হবে শনিবার। কিছু এলাকা আর রেড জোন নেই। ঢাকার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে চট্টগ্রামে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ হাজার জনের বেশি আক্রান্ত বলেই জানা গিয়েছে। একইভাবে করোনা সংক্রমণে কাবু বিভিন্ন জেলা উপজেলা।

অন্যদিকে, প্রবল করোনা ঝুঁকির মুখে প্রবীণরা। বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি তেমনই পরিসংখ্যান ফুটিয়ে তুলেছ। করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ মানুষ বেশি। এমনই জানালেন স্বাস্থ্য অধিদফতর্র অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, করোনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ মানুষের মৃত্যুর হার ৪৩. ২৭ শতাংশ। অন্যান্য বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুর হার তিনি তুলে ধরেন। এতে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে প্রবীণনাগরিকরাই প্রবল করোনা হামলার শিকার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসেবে করোনায় মৃতের তালিকায় ৫১ থেকে ৬০ বছরের মানুষ রয়েছেন ২৮.৫১ শতাংশ। ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১৪.৯৯ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৭.৬২ শতাংশ।২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৩.৪৯ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১.১৬ শতাংশ। ১০ বছরের নীচে দশমিক ৬৩ শতাংশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ