ঢাকা: বাংলাদেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ১১২ জন রোগী। মোট করোনা রোগী শনাক্ত হলো ৩৩০ জন। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৃত ২১ জন। এই পরিসংখ্যান দিয়েছে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর। আর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক বলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত মানুষের হার বাড়ছে। তবে ভাইরাস শনাক্তের হার বৃদ্ধি পাবার মূল কারণ করোনাভাইরাস পরীক্ষার হার বেড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সরকারিভাবে জানানো রয়েছে, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ১১-২০ এর মধ্যে রয়েছেন ৯ জন। ২১-৩০ এর মধ্যে রয়েছেন ২৫ জন। ৩১-৪০ এর মধ্যে রয়েছেন ২৪ জন।৪১-৫০ এর মধ্যে রয়েছেন ১৭ জন।৫১-৬০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ২৩ জন। ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ১১ জন। সেই সঙ্গে জানানো হয়, গত ২৪ ঘন্টায় যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে সবেচয়ে বড় অংশটি ঢাকায়, মোট ৬২জন। পরিসংখ্যানেই পরিষ্কার, রাজধানী ঢাকার অবস্থা করুণ। যদিও করোনা সংক্রমণ রুখতে ঢাকা পুরোপুরি অবরদ্ধ। এখানে ঢোকা ও বেরুনো নিষিদ্ধ।

অভিযোগ, সরকার লকডাউন ঘোষণার পরেও স্থানীয় পোশাক কারখানাগুলি খোলা রাখায় প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই শ্রমিকরা ঢাকায় আসেন গত সপ্তাহে। তারপরেই করোনার প্রবল গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়। এর পর থেকেই ঢাকা অবরুদ্ধ। এদিকে রিপোর্ট বলছে, ২১-৪০ বছর বয়সীরা বেশি আক্রান্ত। অভিযোগ, লকডাউনের নিয়ম ভেঙে চলছে ছোটখাটো জমায়েত। সেই খেলে করোনা সংক্রমণ বড় আকার নিচ্ছে।

ঢাকার পাশাপাশি বন্দর নগরী চট্টগ্রামেও করোনা ছড়াচ্ছে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের মধ্যে । বাংলাদেশের করোনা সংক্রমণ তীব্র আকার নিতে পারে এমনই আশঙ্কা করেছে হু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই সতর্কীকরণের পরেও বাংলাদেশের জনগণের বড় অংশ লকডাউন নিয়ম মানছেন না বলেই অভিযোগ। এদিকে চিন সরকার জানিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত চিকিৎসা সরঞ্জাম ও চিকিৎসক দল পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে।