ঢাকা: করোনা মতো মারাত্মক সংক্রামক ও মারণ ভাইরাসের হাজার হাজার ভুয়ো পরীক্ষা রিপোর্ট তৈরির ব্যবসা করা মক্ষিরানির বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি নিয়েই মামলা সাজিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত চিকিৎসক সামরিনা চৌধুরী সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২০ অগস্ট দিন নির্ধারণ করেছে আদালত। এই আট জনের মধ্যে অন্যতম ঢাকার বেসরকারি সংস্থা জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরী। তার স্ত্রী সাবরিনা।

সরকারকে ধোঁকা দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে হাজার হাজার মানুষের ভুয়ো করোনা টেস্ট রিপোর্ট তৈরি করত জেকেজি গ্রুপ হাসপাতাল। কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে সরকার। এর পর উঠে আসে চাঞ্চল্যকর ভুয়ো করোনা পরীক্ষা রিপোর্ট তৈরির ব্যবসা চক্রের বিষয়টি।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশে ভুয়ো করোনা রিপোর্ট তৈরির জেরে বহু মানুষের জীবন সংশয় হচ্ছে। এই খবরে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ছড়ায়। তদন্তে দেখা যায় বাংলাদেশ সরকারের করোনা মোকাবিলা তহবিলের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছিল সাবরিনা ও আরিফের সংস্থা জেকেজি।

গত ২৩ জুন সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরী সহ ৬ জনকে গ্রেফলাফল করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। এই মামলার অপর ছয় আসামি শফিকুল ইসলাম রোমিও, জেবুন্নেসা, আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী ও বিপ্লব দাস।

গত ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট আদালতে আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। সেই অভিযোগপত্রে বলা হয় ডা. সাবরিনা ও আরিফ চৌধুরীকে এই চক্রের মূল হোতা। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনছারীর এজলাসে আসামিপক্ষের সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২০ আগস্ট শুনানির দিন ধার্য করেছে। ওই দিনই শুরু হচ্ছে এই চাঞ্চল্যকর মামলার সওয়াল জবাব। মামলা অন্তে রায় দেবে আদালত।

অভিযুক্ত চিকিৎসক দম্পতি ও তাদের বাকি ৬ সাগরেদের জন্য কড়া শাস্তি চাইবে সরকার। মনে করা হচ্ছে করোনার ভুয়ো পরীক্ষা রিপোর্ট মামলায় অভিযুক্তদের জন্য জেলের ভাত বরাদ্দ। ধৃতরা সবাই জেলে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা