ঢাকা: লকডাউন চলছে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ। কিন্তু পোশাক কারখানা গুলি খোলা। ফলে শুক্রবারের সাপ্তাহিক ছুটির পরে শনিবারে বাংলাদেশের রাস্তা, ফেরি সার্ভিসে থিকথিক করছে ভিড়। কারখানামুখী গার্মেন্টস শ্রমিকরা। এই অবস্থায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাস কমিউনিটি সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বাড়ল। বাংলাদেশে পোশাক শিল্প সব থেকে বড় কর্মসংস্থানের ভূমিকা নেয়। এই সব কারখানাগুলিতে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য লকডাউনের নিয়মটি কার্যকরী হচ্ছেনা বলেই অভিযোগ।

আরও অভিযোগ, লকডাউন চললেও কেন খোলা পোশাক কারখানাগুলি? জানা গিয়েছে, সরকারি ছুটি বাড়িয়ে ৪ তারিখ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত করা হলেও গার্মেন্টস কারখানা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কারখানার শ্রমিকের জন্য ছুটি বাড়েনি। তাই রবিবার কর্মস্থলে যোগ দিতে হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ করোনা আতঙ্ক নিয়েই কর্মস্থলে ছুটছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা কর্মের উদ্দেশে বেরিয়েছেন বলে কেউ কেউ জানান। এদিকে শ্রমিকদের ভিড়ের চাপ পড়েছে পদ্মা নদীর অন্যতম ফেরি চলাচল ঘাট দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়ার মধ্যে।

প্রতিটা ফেরিতেই উপচে পড়া ভিড়। এছাড়া রাজধানী ঢাকার রাস্তায় বেরিয়েছেন পোশাক শ্রমিক সহ বিভিন্ন কারখানার কর্মীরা। এতেই কমিউনিটি সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়ছে। এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক জানাচ্ছে বাংলাদেশে শনিবার পর্যন্ত ৭০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী।

জাতীয় রোগতত্ব বিভাগের পরিচালক সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, করোনায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৮ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩০ জন। তবে লকডাউন চললেও কী করে পোশাক কারখানা সহ বিভিন্ন ছোট বড় কারখানা খুলে রাখা হয়েছে তার কোনও উত্তর নেই সরকারের কাছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) আগেই জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণের প্রবল ঝুঁকির মুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ।