ঢাকা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মারাত্মক তা স্বীকার করছেন সবাই। পরিস্থিতি আরও জটিল আইসিইউ ও অক্সিজেন সংকটে। এই চাপ সামাল দিতে সোমবার থেকে ১০০০ শয্যার বিরাট কোভিড হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু হলো বাংলাদেশে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ভবনে এই কোভিড হাসপাতালের উদ্বোধন হয় রবিবার। স্বাস্থ্যমল্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, এখানে সব ধরনের চিকিৎসা সুবিধা পাবেন করোনা আক্রান্তরা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তরফে জানানো হয়েছে, মেয়র আতিকুল ইসলামের প্রতিশ্রুতির মাত্র আট মাসের মাথায় শুরু হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কভিড-১৯ হাসপাতাল’-এর রোগী সেবা কার্যক্রম।

এই কোভিড হাসপাতালটিতে ৫০ শয্যার আইসিইউ, ৫০ শয্যার এমারজেন্সি থাকছে। এছাড়া আছে হাইফ্লো নাজাল ক্যানোলা, সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা। ১৫০টি সিঙ্গেল রুম আইসোলেশন ব্যবস্থা এখানে রয়েছে। ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স, ৭০০ স্টাফ এবং ওষুধ, সরঞ্জামের ব্যবস্থা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ভবনের হাসপাতালটিতে সর্বমোট ১০০০ শয্যায় কোভিড রোগীর জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। তাছাড়া ৫০০ কেভিএ জেনারেটর ও ১০০০ কেভিএ হাই ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা করা হয়েছে। অগ্নিনির্বাপণের জন্য ৯০ হাজার লিটার ওয়াটার রিজার্ভার থাকছে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে বা উপসর্গ আছে এমন রোগীদের এখানে চিকিৎসা হবে। তারা যাদের মৃদু উপসর্গ আছে বা হেঁটেই আসতে পারছে, চিকিৎসা নেওয়ার জন্য তাদের যদি ভর্তি প্রয়োজন না হয় তবে ভর্তি করা হবে না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই তাকে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হবে। পরে এসে তিনি আবার রিপোর্ট করতে পারবেন। এমন জানিয়েছে এই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিবদের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরেরবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ১০২ জন মারা গেছেন। বাংলাদেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৮৫ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৭ লক্ষ ১৮ হাজার ৯৫০ জন। মোট সুস্থ হয়েছে ৬ লক্ষ ১৪ হাজার ৯৩৬ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.