ঢাকা: দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি দেশেই এখনও পর্যন্ত করোনার সর্বাধিক হামলা।ভারত পাকিস্তান ও বাংলাদেশে আরও মৃত্যুর আশঙ্কা। বুধবার বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে মৃতের সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৯৮ জন। সুস্থ হওয়া কোভিড রোগীর সংখ্যাও ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮৯ জন।

রোগী সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৫৫০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ। মোট ৩ হাজার ৫১৩ জন কোভিড রোগী মৃত। গত বছরের ডিসেম্বরে চিন থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাস ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।

গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বাধিক করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে ভারতে।

বুধবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪৬ হাজার পার করেছে। পাকিস্তানে মৃতের সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি। করোনার হামলা এই অঞ্চলের মধ্যে সর্বাধিক ভারতেই। দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলি যেমন শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, নেপালে মৃত্যুর হার তেমন নয়। আর করোনায় এখনও মৃত্যুহীন দেশ ভুটান।

প্রসঙ্গত, বাংলায় একদিনে ফের বাড়ল মৃতের সংখ্যা৷ আক্রান্ত আরও প্রায় তিন হাজার৷ তবে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২,৭২৫ জন৷ বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের৷ মঙ্গলবার সংখ্যাটা ছিল ৪৯ জনে৷ সেই তুলনায় আজ বুধবার মৃতের সংখ্যাটা বেশি৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২,২০৩ জনের৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২,৯৩৬ জন৷ মঙ্গলবারের থেকে বেশি৷

সেদিন ছিল ২,৯৩১ জন৷ তবে এই পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যাটা ১ লক্ষ ৪ হাজার ৩২৬ জন৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে ২৬ হাজার ৩ জন৷ একদিনে ১৫৭ জন বাড়ল৷ একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২,৯৩৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩,০৬৭ জন৷ তবে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৬ হাজার ১২০ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭২.৯৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৭২.৩৯ শতাংশ৷

সোমবার ছিল ৭১.৪৩ শতাংশ৷ রবিবার ছিল ৭০.২৪ শতাংশ৷ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা টেস্টের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ২৭ হাজার ৭১২ টি৷ এটাই একদিনে সর্বোচ্চ টেস্ট৷ মঙ্গলবার ছিল ২৭ হাজার ১৫ টি৷ সোমবার ছিল ২৬ হাজার ২৯৭ টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ১১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯২৩টি৷

প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ১৩,১৮৮ জন৷

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।