ঢাকা: বাংলাদেশের অন্যতম সেরা কলেজের ছাত্রাবাসে এক ছাত্রীকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য। ঘটনা সিলেটের মুরারিচাঁদ কলেজের (এমসি কলেজ)।

বিবিসি জানাচ্ছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই বিবাহিতা ছাত্রীকে ছাত্রাবাসের মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। দোষীরা অধরা। শনিবার সিলেট শহরের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। এই ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ধর্ষিতার স্বামী অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর এজাহারে ৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরও তিন জন অজ্ঞাত পরিচয়কে আসামী করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে সিলেটের টিলাগড় এলাকার এমসি কলেজের গেটের সামনে থেকে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। স্বামীর সাথে একটি গাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন ছাত্রী।

অপহরণের ঘণ্টাখানেক পর এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের একটি কক্ষের সামনে থেকে স্ত্রীকে বিধ্বস্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন স্বামী। রাতেই তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।

এমসি কলেজের হোস্টেলের পাশের আবাসিক এলাকার এক বাসিন্দা জানান রাতে বেশ কিছুক্ষণ ছাত্রাবাসের ভেতর থেকে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শুনতে পাচ্ছিলেন তিনি। পরে মহিলা কন্ঠের চিৎকার শুনতে পাওয়া যায়।স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে ছাত্রাবাস এলাকার ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায় বিবস্ত্র ছাত্রীকে।

কলেজের মধ্যে ধর্ষণের ঘটনার জেরে সিলেটে সর্বত্র চলছে বিক্ষোভ। কলেজের ভেতরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন পড়ুয়ারা। অভিযোগ,এই ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। তবে পুলিশ এখনও তাদের রাজনৈতিক পরিচয় জানায়নি।

এমসি কলেজের হলে তল্লাশী চালিয়ে এক অভিযুক্তের কক্ষ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।