ঢাকা:  দোকানের চেঞ্জ রুমে গোপন ক্যামেরা। মহিলা কর্মীদের পোশাক বদলানোর ভিডিও তুলে রাখাটাই ছিল কাজ। একটা কিংবা দুটো নয়, একেবারে ১২০টি ভিডিও ছিল অভিযুক্তের কাজ। অবশেষে ফাঁস হল সেই চক্র। গ্রেফতার করা হল মূল অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম সজীব। কাফরুল থানার পূর্ব শেওড়াপাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বাংলাদেশের সাইবার ক্রাইম সিরাজুলকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মহিলা কর্মীদের চেঞ্জ রুমে পোশাক পরিবর্তন করার সময় গোপনে ভিডিও তৈরি করত সিরাজুল। এরপর যাদের ভিডিও করা হয়েছে, তাদের কাছে সেই ভিডিও পাঠাতো ফেসবুকের মেসেঞ্জারে। কখনও অর্থ দাবি কখনও বিকৃত চাহিদার কথা জানাতো তাদের। কিন্তু, শেষ রক্ষা হল না। এক বিক্রয়কর্মীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ ওই তরুণকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আড়ংয়ের বনানী শাখায় কর্মরত এক মহিলা গত ১৬ জানুয়ারি একটি লিখিত অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ১১ জানুয়ারি রাত ১২টা ৩৭ মিনিটে সিরাজুল ইসলাম সজীব তার ফেসবুক মেসেঞ্জারে সীমান্ত সৈকত নামে আরেকটি ফেসবুক আইডি থেকে পাঠানো একটি ভিডিও দেখতে বলে।

ওই মহিলা ভিডিওতে দেখেন, আড়ংয়ের বনানী শাখার চতুর্থ তলার কর্মচারীদের জন্য পোশাক পরিবর্তন রুমে পোশাক পরিবর্তন করার সময় তার ভিডিও তুলে পাঠিয়েছে। এসময় সজীব তাকে ভিডিও করে শরীর দেখাতে বলে এবং তার কথামতো কাজ না করলে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন। এরপরেই পুরো বিষয়টু তুলে ধরে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ জানায় সেই মহিলা।

এরপরেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত নামে স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকরা। এরপরেই গ্রেফতার করা হয় সিরাজুল ইসলাম সজীবকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব