ঢাকা:  সেনাবাহিনীকে সবসময় জনগণের পাশে থাকতে হবে। এমনটাই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর নির্বাচন পর্ষদ-২০১৯ এর সভায় সেনাবাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে এমনটাই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেনাবাহিনীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস, নেতৃত্ব ও পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা, সততা ও আনুগত্য বিবেচনায় নিয়ে পদোন্নতি দিতে ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির লক্ষ্যে এদিন থেকে শুরু হয়ে সেনাসদর নির্বাচন পর্ষদ-২০১৯ চলবে পাঁচদিন ধরে। পর্ষদে কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারনী পর্যায়ের আধিকারিকদের সমন্বয়ে গঠিত এই পর্ষদের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য যোগ্য ও দক্ষ অফিসারগণ সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে পদোন্নতি পাবেন’।

প্রধানমন্ত্রী সকালে সেনাসদরে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানসহ সামরিক ও সাধারণ ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর ১৯টি অভ্যুত্থানের ঘটনা তুলে ধরেন।

১৯৮১ সালে নির্বাসিত জীবন থেকে দেশে ফেরার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “যখন দেশে ফিরলাম তখন বলেছিলাম এই আত্মঘাতী অবস্থা আমরা চাই না। দেশের সর্বক্ষেত্রে শান্তি চাই। মনোবল ছিল দেশে ফিরেছিলাম। মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসই আমার মূল শক্তি।” বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এটা আমাদের একটা অর্জন।”

১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর করা প্রতিরক্ষা নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতার দূরদৃষ্টি ছিল। দেশের সেনাবাহিনী কেমন হবে সেই চিন্তাতেই তিনি নীতিমালা তৈরি করেছিলেন।”