ঢাকা: নভেম্বরে আসন্ন ভারত সফরে তিন ম্যাচের টি-২০’র জন্য দলঘোষণা করল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার কোহলিদের বিরুদ্ধে সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটের জন্য চূড়ান্ত ১৫ জনের স্কোয়াড বেছে নিল সেদেশের জাতীয় নির্বাচক কমিটি।

ভারত সফরে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টির জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াডে কামব্যাক করলেন ৩ জন ক্রিকেটার। ১৫ জনের দলে জায়গা করে নিলেন বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফত সানি, পেস বোলার আল আমিন হোসেন এবং অভিজ্ঞ বাঁ-হাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। ২০১৬ ভারতের মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপ চলাকালীন অবৈধ বোলিং অ্যাকশনে অভিযুক্ত হয়েছিলেন সানি। দেশের জার্সি গায়ে ১০টি টি-২০ ম্যাচে ১২টি উইকেট নেওয়া সানি এরপর জাতীয় দলের হয়ে আর মাঠে নামতে পারেননি। তিনবছর বাদে ফের জাতীয় দলে ফেরত এলেন তিনি।

আরও পড়ুন: দ্বিতীয় করবা চৌথে অনুষ্কার সঙ্গে উপোস রাখলেন বিরাটও

সোশ্যাল মিডিয়ায় বান্ধবীর আপত্তিকর ছবি পোস্ট করে ২০১৭ শুরুর দিকে গ্রেফতারও হন সানি। তাঁর পাশাপাশি ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের হয়ে আর খেলার সুযোগ হয়নি আল আমিন হোসেনেরও। আসন্ন ভারত সফরে কুড়ি-বিশের ফর্ম্যাটে স্কোয়াডে কামব্যাক করলেন তিনিও। ঘরের মাঠে আফগানিস্তান এবং জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ত্রিদেশীয় সিরিজে ছিলেন না ওপেনার তামিম ইকবালও। ভারত সফরে সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে দলে ফিরলেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানও।

আরও পড়ুন: ইডেনে ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট, বোর্ড প্রেসিডেন্ট হয়েই মোদী-হাসিনাকে আমন্ত্রণ মহারাজের

জাতীয় দলে সানির কামব্যাক প্রসঙ্গে মুখ্য নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন জানান, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের জন্য আমরা ওকে দলে নিয়েছি। পাশাপাশি স্কোয়াডে শাকিব আল হাসানের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে খেলার অভিজ্ঞতা আছে এমন কাউকে প্রয়োজন ছিল।’ আল আমিনের নির্বাচন প্রসঙ্গে আবেদিন জানান, ‘ভারতের পিচে সামান্য ঘাসের কথা ভেবে আমরা ওকে দলে রেখেছি। সাম্প্রতিক সময়ে আমিন ফিটনেসে প্রভূত উন্নতি করেছে এবং ওর সিম ব্যবহার করার দক্ষতা রয়েছে। ভারতের পিচে এমন বোলারদের সফল হওয়ার প্রবণতা রয়েছে।’

উল্লেখ্য, আগামী ৩ নভেম্বর নয়াদিল্লির ফিরোজ শা কোটলায় সফরের প্রথম টি-২০ ম্যাচে ভারতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ৭ এবং ১০ নভেম্বর বাকি দু’টি টি-২০ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে রাজকোট ও নাগপুরে।