ঢাকাঃ বাংলাদেশের সব নাগরিককে পেনশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। এর মধ্যে বিভিন্ন পেশার মানুষও পেনশনের আওতাভুক্ত হবে বলে জানান মন্ত্রী।

যুগান্তরে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সার্বিকভাবে পেনশন ব্যবস্থা করা জটিল কিছু নয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য পেনশন স্কিমের কাজ চলছে। সাংবাদিকদের জন্য কী করা যায়, সেটিও ভেবে দেখা হবে।

বুধবার বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের কাজে ঝুঁকি শুধু নয়, ভয়ংকর ঝুঁকি রয়েছে। তাদের জন্য ঝুঁকি তহবিল কীভাবে করা যায়, সেটি ভেবে দেখা হবে। যে কল্যাণ তহবিল আছে, সেটি কীভাবে আরও প্রসারিত করা যায়, সেটি দেখা হবে। এক্ষেত্রে বাজেট বাড়ানো উচিত।

অন্যদিকে,  মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশে সার্বিক দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ। ২০১৮ সালে যা ছিল ২৪.৫ শতাংশ। সে হিসাবে দুই বছরের ব্যবধানে দারিদ্র্যের হার প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে সে দেশের সংবাদমাধ্যম যুগান্তর।

প্রকাশিত খবর জানাচ্ছে, এই সংক্রান্ত বিষয়ে গত কয়েকমাস ধরে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। সমীক্ষা চালানো হয়, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)। নিজেদের অর্থায়নে সংস্থাটি এই সমীক্ষা চালানো হয়। তাতেই চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে আসে বলে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে।

এই সংক্রান্ত গবেষণার বিষয়টি সামনে আনেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪.৩০ শতাংশ।

২০১৮ সালে জিইডি সানেমের গবেষণা অনুযায়ী, দারিদ্র্যের হার ২১.৬০ শতাংশ ছিল। কিন্তু সানেমের ২০২০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের গবেষণায় দারিদ্রের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ। বিবিএসের খানা সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দেশের গ্রামাঞ্চলের সার্বিক দারিদ্র্যের হার ছিল ২৬.৪ শতাংশ।

২০১৮ সালের জিইডি-সানেম সমীক্ষা যা ২৪.৫ শতাংশে নেমেছিল। কিন্তু করোনার প্রভাবে ২০২০ সালে এই হার বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়ে গেছে। শহরাঞ্চলে সার্বিক দারিদ্র্যের হার ২০১৬ সালে ছিল ১৮.৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছিল ১৬. ৩ শতাংশ। আর করোনার সময়ে ২০২০ সালে এই হার বেড়ে ৩৫.৪ শতাংশ হয়েছে।

সানেমের সমীক্ষার ফলাফলে দেখা গিয়েছে, করোনার প্রভাবে দরিদ্রতা নেমে আসায় মানুষ খাদ্যবহির্ভূত ব্যয় কমিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি অনেকে সঞ্চয় ভেঙে জীবন নির্বাহ করেছেন, কেউ ঋণ নিয়েছেন, আবার কেউ খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনেছেন।

সানেমের সমীক্ষায় অংশ নেওয়াদের মধ্যে ৭.৫২ শতাংশ পরিবার বলেছে, করোনার প্রভাবের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর কোনো পথই পায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।