সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : নেপালীরা যারা ভারতের এলাকা দখল করতে চায়, তারাই অবৈধ ভাবে বাংলায় ঢুকে গোর্খাল্যান্ডের ষড়যন্ত্র করে। এমনটাই দাবী বাংলা পক্ষ নামে বাঙালির দাবী নিয়ে লড়াই করা সংগঠনের। তাঁদের এমন ক্ষোভের কারণ চিনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নেপালের ভারতকে চিঠি পাঠিয়ে নিজেদের নয়া অংশের দাবী দাওয়ার ঘটনা। এক সময়ের বন্ধু রাষ্ট্র নেপাল এমন করতে পারে তা ধারনার বাইরে ছিল অনেকেরই। পশ্চিমবঙ্গে পাহাড়েই বহু নেপালি রুটি রোজগার করে দিন চালায়। এখন সেই দেশই ভারতের উপর চোখ রাঙাচ্ছে এটাই ভালোভাবে নিচ্ছে না বাংলা পক্ষ।

তাঁদের স্পষ্ট কথা , ”ভারত আজ নেপালের দ্বারা আক্রান্ত। ভারতের অংশ নিজেদের বলে দেখিয়ে নেপাল সরকার মানচিত্র প্রকাশ করেছে। নেপাল সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের গুলি করে হত্যা করেছে। দিল্লী -হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী মিডিয়া চুপ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার চুপ কারণ বাঙালী বিদ্বেষে এরা ঐক্যবদ্ধ – হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ও আগ্রাসীরা দুজনেই গোর্খাল্যান্ড ষড়যন্ত্রে জড়িত। তাই ভারত তথা বাংলার অখণ্ডতা ও সুরক্ষা রক্ষা করতে আওয়াজ তুলতে হবে বাংলা ও বাঙালীকেই।’ তাঁদের আরও দাবী, ‘নেপাল বর্ডার সিল করুক কেন্দ্র ও গ্রেটার নেপাল চক্রান্ত ব্যর্থ করা হোক’।

প্রসঙ্গত লিপুলেখ গিরিপথ, লিম্পিয়াধুরা এবং কালাপানিকে নিজেদের দেশের অংশ হিসেবে দেখিয়ে সম্প্রতি বিতর্কিত মানচিত্র প্রকাশ করে নেপাল। তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়। গত মে মাসে ওই বিতর্কিত মানচিত্র প্রকাশ করে নেপাল। তা নিয়ে দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নেপালের বিদেশমন্ত্রী প্রদীপ গয়ালি সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে গত ২ নভেম্বর নিজেদের মানচিত্র বদল ঘটায় ভারত। তার পরই আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিই। এটা স্থায়ী সিদ্ধান্ত কারণ ওই এলাকাগুলি নেপালের মধ্যেই পড়ে। এ নিয়ে কোনও অনিশ্চয়তা নেই। তবে কোন এলাকা নেপালের মধ্যে পড়ছে, তা নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা হওয়া দরকার।’’

সম্প্রতি লিপুলেখ গিরিপথ থেকে কৈলাস-মানস সরোবরে যাওয়ার পথ পর্যন্ত একটি রাস্তার উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। তাতে প্রতিবাদ জানায় কেপি শর্মা ওলির সরকার। তার পরই ওই বিতর্কিত মানচিত্র প্রকাশ করে তারা। তা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায় ভারত। এমনকি এর পিছনে চিনের উস্কানি থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেয় ভারত।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।