বাংলপক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : করোনার অজুহাত দিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়টি বাঙালির অধিকারের বিষয়টি কে দূরে সরিয়ে রাখছে কেন্দ্র। এমনটাই দাবী করছে বাংলাপক্ষ। এই বিষয়েই মতুয়াদের সতর্ক হতে বলছে এই সংগঠন।

ঠাকুরনগরে বাংলাপক্ষের সভায় বাংলাপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এই মাটি গুরু হরিচাঁদের মাটি, এই মাটি বাংলার মাটি। এই মাটিতে জয় হরিচাঁদ, জয় গুরুচাঁদ ও জয় বাংলা চলবে। এটা আমাদের বাঁচার লড়াই। আমাদের মাটি থেকে উচ্ছেদ করতে চায় কেউ যখন আমাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে চায় তখন আমরা আমাদের গুরুদের বলে যাওয়া কথাগুলো মনে করে আমরা লড়াই করি। বাংলাপক্ষ যে সত্য আজকের মঞ্চ থেকে তুলে ধরেছে সেটা জানার পর কোন বাঙালিকে কারও কাছে গিয়ে নাগরিকত্ব সম্পর্কে জানতে হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব নিয়ে কিছুই বলেননি, তিনি শুধুমাত্র রেলস্টেশন এর নামকরণ করেছেন। করোনার কথা বলা শুধুমাত্র অজুহাত। তিনি বলেন কৃষি বিল পাশ হয়েছে, এছাড়াও অনেক বিল পাস হয়েছে যা জনগণের ক্ষতি করছে।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন , ‘করোনার অজুহাত দিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়টি বাঙালির অধিকারের বিষয়টিকে দূরে সরিয়ে রাখা হচ্ছে। ঘরে ঘরে বোঝানো হচ্ছে যাদের জন্য উদ্বাস্তুদের চলে আসতে হয়েছে বিজেপি তাদের বিরুদ্ধে। ঠাকুরনগরের মতুয়াদের নিজের মাটি।’

গর্গ চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন সিএএতে ২০১৪ কাট অফ ডেট করা হয়েছে? তারপরে কি কেউ বাংলাদেশের ধর্মীয় কারণে নির্যাতন হবে না?’ ছিট মহল প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘৩০ হাজার বিঘা জমি এই বিজেপি সরকার বাংলাদেশের হাতে তুলে দিয়েছে, এটা অতিরিক্ত। তিনি তার বক্তব্যে তিস্তার জল থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলে দেখান যে বাংলাদেশে বিরোধিতার যে কথা বিজেপির বাংলায় এসে বলে বাস্তবে সেটা একেবারেই অন্য। বহু সাধারণ মানুষ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। বিজেপির দম থাকলে আগামী ১০ দিনে হাতে আসল নাগরিকত্বের কার্ড দিন। আমরা সকলে ভারতের নাগরিক, কোনও গুজরাটিকে আমরা নাগরিকত্বের পরীক্ষা দেব না।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.