কলকাতা : র‍্যাপিডো অ্যাপ বাইকে হেনস্থার স্বীকার শিকার হয় এক বাঙালি। এমনই খবর জানতে পেরে তৎপর হল বাংলাপক্ষ। এর ফলে হেনস্থার ফল স্বরূপ শাস্তি পেয়েছে আদর্শ কুমার নামের ওই র‍্যাপিডো অ্যাপ বাইক চালক।

বাংলাপক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, ‘কিছুদিন আগে সকালের দিকে ১০.৪৫ নাগাদ র‍্যাপিডো অ্যাপ বাইক বুক করেছিলাম এক বাঙালি যুবক। কিছুক্ষণের মধ্যেই ড্রাইভার তার লাইভ লোকেশনে আসে, হিন্দিতে জানতে চায় সে কোথায় যাবে। তারপর জানতে চায় কত ভাড়া দেখাচ্ছে। এরপরেই ওই হিন্দিভাষী ড্রাইভার বলে সে যাবে না, কারণ হিসাবে সে বলে এত কম ভাড়াতে সে যায় না। আরোহী বলে, এই অভিযোগ সে যেন কোম্পানিকে জানায়। তখন সে বলে রাইডটা ক্যান্সেল করতে। রাইড ক্যান্সেল না করায় হুমকি দিয়ে বলে যায় তাকে সে ছাড়বে না। কিছুক্ষন পরে বলে ভাড়া বেশি দিলে তবেই যাবে।’

এরপর অটো স্ট্যান্ড গিয়ে সাহায্য চায় ওই যুবক। এর কিছুক্ষন পরেই অ্যাপ বাইকের অফিস থেকে ইন্টারনেট কল আসে, যুবক বিস্তারিত জানিয়ে বলে যে কলকাতা পুলিশে এর অভিযোগ জানাবে সে। এরপর থেকেই ওই ড্রাইভার তাকে ফোন করে গালাগালি ও হুমকি দিতে থাকে। এরপরেই এই ঘটনা সে বাংলাপক্ষকে জানায়। এরপরেই অ্যাপ বাইকে অফিসে জানায়। চাপে পড়ে ওই অ্যাপ বাইক চালককে টার্মিনেট করে কর্তৃপক্ষ। বাংলাপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে ওই চালক যাতে কোথাও কাজ না পায় সেই ব্যবস্থাও করবে তাঁরা। তাঁদের একটাই হুঁশিয়ারি , বাংলায় থেকে অবাঙালিদের বাঙালিকে অপমান করা যাবে না। এমন হলে ব্যাবস্থা নেবে তারা।

কৌশিক মাইতি বলেন , ‘বাংলা ও বাঙালি কে ঘৃণা করা বহিরাগত শত্রুদের এই মাটিতে কোন ঠাঁই নেই। এই জয় বাঙালীর একতার জয়। বাঙালি এক হলে অনেক খেলা অনেক কিছু যা বাংলার মাটিতে এতদিন স্বাভাবিক ছিল তা বদলে যাবে। এই প্রত্যেকটি ঘটনা তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ। বাঙালি কে ঘৃণা করা, বাঙালি কে অপমান করা এই বাংলার মাটিতে আর চলবে না। বাংলা পক্ষ নজর রাখছে, বাংলা পক্ষ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বাঙালি, এই ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নাও। তুমি জাতি হিসেবে এক হলে কি করতে পারো তার প্রত্যক্ষ উদাহরণ প্রত্যেকদিন তোমার কাছে উঠে আসছে।’

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।