ফাইল ছবি

কলকাতা: ট্রেনের কামড়ায় সবজির ব্যাগ৷ কিন্তু তাতে সবজির পরিবর্তে পাওয়া গেল সোনার বিস্কুট৷ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকার সোনার বিস্কুট৷ গ্রেফতার করা হয়েছে তিন পাচারকারীকে৷ শুক্রবার সকালে শিয়ালদহগামী বনগাঁ লোকালে হানা দেয় ডিরেক্টরেট অব রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই)৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারা ওই ট্রেনে অভিযান চালায়৷ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রচুর সোনার বিস্কুট৷ যার বাজার মূল্য ৯৬ লক্ষ টাকা৷

সূত্রের খবর, সবজির ব্যাগে লুকিয়ে লোকাল ট্রেনে করে পাচার করা হচ্ছিল ওই সোনা৷ তদন্তকারী আধিকারিকদের অনুমান বাংলাদেশ থেকে ওই সোনার বিস্কুট পাচার করা হচ্ছিল৷ সোনার বিস্কুটগুলো সম্ভবত কলকাতা বৌবাজারে নিয়ে আসা হচ্ছিল৷ কিন্তু তার আগেই ডিরেক্টরেট অব রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) এর হাতে ধরা পড়ে যায় তিন পাচারকারী৷ তবে অন্য কোথাও ওই বিপুল পরিমাণে সোনা নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল কিনা,তা ক্ষতিয়ে দেখছে তদন্তকারী আধিকারিকরা৷

এর আগে আন্তর্জাতিক গাঁজা পাচার চক্রের হদিস পেয়েছিল পুলিশ৷ উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করেছিল নার্কো কন্ট্রোল ব্যুরো। উদ্ধার হওয়া গাজার বাজারদর ছিল প্রায় তিন লক্ষ টাকা। সেই সময় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল৷

সূত্রের খবর,উদ্ধার হওয়া গাঁজা মায়ানমার থেকে আসছিল। যেটি বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল ধৃত ব্যক্তির উপরে। গ্রেফতার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম জুবের আলি তরফদার। সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁর চৌখাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ওই ব্যক্তির বারিতেই মজুত ছিল এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।