ঢাকা: বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য তৈরি ঘিরে গোঁড়া ইসলামি সংগঠনের বিরোধিতা চলছেই। এই ইস্যুতে শুক্রবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ঢাকায়।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম থেকে উগ্র ধর্মান্ধবাদীদের মিছিল বের হয়েছিল। মিছিল থেকে
ভাস্কর্য বিরোধী এবং নাস্তিকদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশ আগে ভাগেই জাতীয় মসজিদ এলাকায় অবস্থান নেয়। মিছিলকারীদের আটকাতে গেলে শুরু হয় বিক্ষিপ্ত হামলা। এর পরেই তেড়ে ফুঁড়ে নামে পুলিশ।

বায়তুল মোকাররম মসজিদের কাছেই ধর্মান্ধবাদীদের রীতিমতো ডান্ডা পেটা করে এলাকা ছাড়া করা হয়। রাজপথে পুলিশ তাড়া খেয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় মিছিল। একদল ধর্মস্থানের ভিতর ঢুকে পড়ে। সেখান থেকেই সরকার, নাস্তিক ও পুলিশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করা হতে থাকে। তবে ধর্মীয় স্থানের পবিত্রতা রক্ষায় পুলিশ সেখানে প্রবেশ করেনি।

ঘটনার জেরে ঢাকার পল্টন এলাকা বেশকিছুক্ষণের জন্য উত্তপ্ত ছিল। পরে পুলিশের টহল শুরু হতেই সবকিছু স্বাভাবিক হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, দেশে কোনও ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। এটি ইসলাম বিরোধী রীতি। আর যুক্তিবাদীদের দাবি, বহু মুসলিম সংখ্যাগুরু দেশে ভাস্কর্য আছে।

বিতর্কের কেন্দ্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা থেকে। হেফাজতে ইসলাম ও আরও কয়েকটি ধর্মীয় সংগঠন এই ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠার তীব্র বিরোধিতা করেছে। বারবার এই ইস্যুতে শেখ হাসিনার সরকারকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনে অনড় বাংলাদেশ সরকার।

ধর্মীয় সংগঠনগুলির চাপে এর আগে বাংলাদেশ সরকার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে রাখা আইনের দেবী তথা গ্রিক দেবী থেমিসের আদলে তৈরি ভাস্কর্য সরিয়ে নিয়েছিল। এই যুক্তিতে ধর্মীয় সংগঠনগুলি এবার বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনে বাধা দিয়ে চলেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।