পাটনা ও আসানসোল: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতা এবার বনধ বিহারে। পাটনা, দ্বারভাঙ্গা, মুঙ্গের সহ রাজ্যের সর্বত্র চলছে বিরোধী আরজেডি-এর ডাকা বনধ। পাটনায় চলছে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ।

‘ কাহে কা এন আর সি’, এই মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। অথচ, তাঁর দল জে ডি ইউ রাজ্য ও কেন্দ্রে বিজেপির শরিক। নীতীশের এমন মন্তব্য তৈরি করেছে বিতর্ক

অন্যদিকে নীতীশ বিরোধী শিবির তথা বিহারের প্রধান বিরোধী দল লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডির অবস্থান এন আর সি এবং সংশোধিত নাগরিক আইনের বিরুদ্ধেই। তাদের ডাকা বনধের ধাক্কা লেগেছে বিহারের জন জীবনে।

উত্তর প্রদেশ প্রবল বিরোধিতায় জ্বলন্ত ও রক্তাক্ত, দিল্লিও অগ্নিগর্ভ, বিক্ষোভ ছড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাজ্য গুজরাতে। এই অবস্থায় সংশোধিত নাগরিক আইন ও এন আর সি প্রতিবাদে বিহারের বনধ ঘিরে জন্ম নিচ্ছে কিছু প্রশ্ন। গুঞ্জন, ফের এন ডিএ শিবির ছাড়তে পারেন নীতীশ কুমার।

বনধের জেরে পাটনা থেকে পশ্চিমবঙ্গের দিকে আসা রেল রুটে পড়েছে কিছু প্রভাব। পাটনা-আসানসোলের মধ্যে চলাচলকারী কিছু লোকাল ট্রেনে দেরিতে চলছে। পূর্ব মধ্য রেল জানাচ্ছে, লাইনে কাজের জন্য কয়েকটি ট্রেন আগেই বাতিল করা হয়।

পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল জংশন থেকে পাটনা যাওয়ার যাত্রীরা চিন্তায়। কারণ, ট্রেন চলাচলে তেমন বিঘ্ন না থাকলেও যে কোনও সময় পরিস্থিতি প্রবল উত্তপ্ত হতে পারে বলেই আশঙ্কা। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় এর আগে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক স্টেশন ও ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

পাটনায় আইনের বিরোধিতা তুঙ্গে। বক্সারে ট্রেন আটকে দিয়েছে বিক্ষোভরারীরা। বনধের সমর্থন করে পথে নেমেছে কংগ্রেস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।