নয়াদিল্লি: আইসিসি ক্রিকেট কমিটির প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়ে হয়তো আগামী সপ্তাহেই বল পালিশে লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করবে আইসিসি। স্বাভাবিকভাবেই করোনা পরবর্তী সময় লাল বলের ক্রিকেটে লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা যে পেসারদের কাছে বড় ধাক্কা, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু এই সুযোগেই টেস্ট ক্রিকেটে পুনরুত্থান ঘটবে স্পিন বোলিং’য়ের, আশাবাদী আইসিসি ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান অনিল কুম্বলে।

লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি হলে টেস্ট ক্রিকেট আরও বেশি করে ব্যাটসম্যানদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠবে। এমনটাই আশঙ্কা অজি স্পিডস্টার মিচেল স্টার্ক সহ অন্যান্যদের। স্টার্করা যখন মনে করছেন টেস্ট ক্রিকেট ‘বিরক্তিকর’ হয়ে উঠবে তখনই টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বলছেন, টেস্ট ক্রিকেটে স্পিনাররা পুনরায় দলের হয়ে বড় ভূমিকা গ্রহণ করবে।

কুম্বলে বলছেন, পিচে ঘাস থাকুক কিংবা পিচ শুকনো যাই হোক না কেন আমরা হয়তো দেখবো অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মত দলগুলো জোড়া স্পিনার নিয়ে মাঠে নামছে। আইসিসি ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যানের কথায়, ‘ওয়ান-ডে কিংবা টি২০ ম্যাচে বল নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই কারণ সেখানে বল পালিশ করার কোনও ব্যাপার থাকে না। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে যেহেতু এটা বড় একটা বিষয় তাই আমার মনে হয় লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা টেস্ট ক্রিকেটে ফের স্পিনারদের আধিপত্য ফিরিয়ে আনবে।’

একটি অনলাইন ফোরামে কুম্বলে বলেন, ‘আমি ভীষণভাবে দেখতে চাইছি অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রত্যেক দলে দু’জন করে স্পিনার খেলছে। যা আগে কখনও ঘটেনি।’ একইসঙ্গে গ্রাউন্ড স্টাফ এবং পিচ কিউরেটরদের কাছে স্পিন সহায়ক উইকেট বানানোর আর্জি রেখে টেস্ট ক্রিকেটে ৬১৯ উইকেটের মালিক বলেন, ‘ক্রিকেটে এমন একটা প্রেক্ষাপট প্রয়োজন হয় যেখানে ব্যাট-বলের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় থাকে। আমরা সত্যি লালা কিংবা ঘাম ব্যবহার নিয়ে ভাবছি না। আমরা যেনতেন প্রকারেই হোক ক্রিকেটটা পুনরায় চালু করতে বদ্ধপরিকর এই মুহুর্তে।’

অস্ট্রেলিয়ার বল প্রস্তুতকারক সংস্থা সংকটের সময় বল পালিশের জন্য একধরনের ওয়্যাক্স বাজারে আনার কথা ভাবছে। কুম্বলে বলছেন, এরকম কৃত্রিম পদার্থের প্রয়োগ ক্রিকেটের স্বত্ত্বায় আঘাত করবে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।