বালুরঘাট: গঙ্গারামপুর পুরসভার কার দখলে তা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই চলছে চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বনাম তৃণমূলের মধ্যে জোর লড়াই। অনাস্থা ও আস্থা ভোটের পালটা প্রতিযোগিতায় চরম অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে পুরসভায়। যে কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিলির কাজেও। পুরসভার ক্ষমতায় নিজেদের টিকিয়ে রাখতে শাসক শিবির জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।

বিষয়টি শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টে গিয়ে পৌঁছয়। আগামী ৫ অগস্ট ভোটাভুটির দিন ধার্য করে দিয়েছেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। তাঁর আগেই বালুরঘাটে জেলা প্রশাসনিক ভবনে নিজেদের পক্ষের ১০ কাউন্সিলরকে হাজির করিয়ে ম্যাজিক অংক দেখিয়ে নিজেদের ক্ষমতা জাহির শাসকদল তৃণমূল। শুক্রবার তৃণমূল নেতা সত্যেন রায়ের নেতৃত্বে দশ জন কাউন্সিলর জেলাপ্রশাসনিক ভবনে হাজির হন। সেখানে উপস্থিত গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসকের সাথে বৈঠকও করেন। যদিও সেই বৈঠক চলাকালীন সেখানে সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

এব্যাপারে পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান তৃণমূলের অমলভূষণ সরকার জানিয়েছেন যে, আগামী ৫ অগস্টের ভোটাভুটিতে তাঁরাই জয়ী হবেন। পুরসভার মোট ১৪জন কাউন্সিলরই তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। যাঁদের মধ্যে ১০জন এদিন প্রশাসনিক ভবনে হাজির হয়েছেন। মূলত গঙ্গারামপুরে দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিলি নিয়ে যাতে প্রশান্ত মিত্র কোনোরূপ গোষ্ঠীবাজি না করতে পারেন। সেব্যাপারে মহকুমাশাসকের সাথে তাঁরা আলোচনা করেছেন।

এদিকে পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করে বলেন যে দুর্গতদের অসহায়তার কথা ভেবে কয়েকদিন ধরে সুষ্ঠ ভাবেই ত্রাণের ত্রিপল বিলি করা হচ্ছিল। অমলভূষণ সরকারের নেতৃত্বে তৃণমূলের লোকেরই সেখানে অশান্তির সৃষ্টি মাধ্যমে প্রশাসনকে দিয়ে তা বন্ধ করিয়েছে। পাশাপাশি ৫ আগস্ট ভোটাভুটি সম্পর্কে তিনি বলেন যে যতই জেলাপ্রশাসনিক ভবনে কাউন্সিলরদের জোরপূর্বক নিয়ে গিয়ে ম্যাজিক দেখানোর চেষ্টা করুক না কেন। নির্দিষ্ঠ দিনেই স্পষ্ট হয়ে যাবে যে ক্ষমতায় কারা টিকে থাকছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।