বালুরঘাট: জেলা আদালতের অত্যন্ত জরুরি বিষয়ক মামলার শুনানি শুরু হলো ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশ জুড়ে জারি লকডাউন। এই লকডাউনের কারণে আদালতের কাজকর্মও সব বন্ধ হয়ে রয়েছে। আদালতের দৈনন্দিন কাজকর্ম বন্ধ হয়ে থাকায় আটকে রয়েছে দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিষয়ে বহু মামলার শুনানি। ফলে বিচারপ্রার্থীদের অনেকেই মানসিক ভাবে হতাশ হয়ে পড়ছেন।

বিচারপ্রার্থীদের স্বস্তি দিতে সর্বোচ্চ ও উচ্চ আদালতের নির্দেশে শুক্রবার থেকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আদালতেও শুরু হয়েছে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে শুনানি। সোশ্যাল ডিস্টেনসিং-কে মান্যতা দিয়ে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে না এসেই অনলাইনের মাধ্যমে শুনানির জন্য চাইলে আবেদন করতে পারেন। এরপর অত্যন্ত জরুরি বিষয়ক মামলাগুলি বিবেচনা করে এই ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে শুনানি হচ্ছে।

শুক্রবার বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আদালতের দেওয়ানি ও ফৌজদারির মোট দশটি মামলার শুনানি হয়। আদালতের জেলা বিচারক চন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় বন্দোপাধ্যায়ের এজলাসে বসে রোটেশন অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা দায়রা দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সুপর্ণা চট্টোপাধ্যায় তাঁর এজলাসে বসে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন মামলার শুনানি করেন।

উল্টোদিকে সোশ্যাল ডিস্টেনসিং বজায় রেখে সরকারি আইনজীবীও তাঁর অফিস থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং-এ বিভিন্ন মামলায় এদিনের শুনানিতে অংশ নেন। অন্যদিকে বিবাদী পক্ষের আইনজীবীরাও তাঁদের বাড়িতে বসেই শুনানিতে যোগ দেন।

আদালতের সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, কলকাতার উচ্চ আদালতের নোটিফিকেশন নম্বর ১৫ ও ১৪ সিপিসি অনুযায়ী দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আদালতেও ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে মামলার শুনানী শুরু হয়েছে। জেলা বিচারক চন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় বন্দোপাধ্যায় এক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি বিষয়ক দশটি মামলা এদিনের শুনানির জন্য বেছে নেন।

অন্যদিকে, বিবাদী পক্ষের আইনজীবী সুভাষ চাকি জানিয়েছেন, জেলা বিচারকের এজলাসে প্রথম দিনের এই শুনানির দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা দ্বিতীয় বিচারক সুপর্ণা চট্টোপাধ্যায়। ভিডিও কনফারেন্সিং-এ শুনানির জন্য অনলাইনে মোট ২৩টি মামলার আবেদন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে ১৩টি আবেদন ত্রূটিপূর্ণ থাকায় সেগুলি পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের জানানো হয়েছে। বাকি দশটি মামলার শুনানি সম্ভব হয়েছে। এতে বিচারপ্রাথীরা অনেকটাই স্বস্তি পাবেন বলেও তাঁর আশা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।