স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট : গঙ্গারামপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে খুনের ঘটনায় এপর্যন্ত তিন মহিলা সমেত মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার উত্তর নারায়নপুরে দলীয় কার্যালয়ের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে তৃণমূলের জেলা সভাপতি বিধায়ক গৌতম দাসের অনুগামী মৃত সঞ্জিত সরকারকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কালিপদ সরকার ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ ঘটনায় মৃত সঞ্জিত সরকারের লোকেরা কালিপদ ও সরকারকে ধাওয়া করলে বাইকে চেপে পালিয়ে যাওয়ার পথে কালিপদ সরকার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

স্থানীদের অভিযোগ, উত্তর নারায়ণপুরের ঝালডেঙি গ্রামে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়টির দখলকে কেন্দ্র করে কালিপদ সরকার বনাম গৌতম দাস দুই গোষ্ঠীর বহুদিন ধরেই বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে সেই বিরোধ চরমে পৌছায়। এদিন দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে সংঘর্ষ ও পরে গুলি-পাল্টা গুলি এবং বাড়িঘরে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে।

জেলা সভাপতি গৌতম দাস গোষ্ঠীর কর্মী সঞ্জিত সরকার মাথায় গুলি লেগে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

অন্যদিকে সঞ্জিত সরকারকে গুলি চালানোর ঘটনায় অভিযুক্তদের নেতৃত্বে থাকা বিপ্লব মিত্র অনুগামী তথা গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কালিপদ সরকার এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হৃদরোগে মারা যান। ঘটনায় এলাকায়না উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

দলীয় কার্যালয়ের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত বিপ্লব অনুগামী সুমন দাসের বাড়ি ও দোকানে আগুন লাগিয়ে দেন গৌতম গোষ্ঠীর লোকেরা। ঘটনায় বুধবার সকাল অবধি ৭ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতরা প্রত্যেকেই কালিপদ সরকারের অনুগামী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

যদিও উত্তর নারায়ণপুরের ঘটনাকে গোষ্ঠী সংঘর্ষের জের বলে মানতে নারাজ রাজ্যসভার সাংসদ অর্পিতা ঘোষ ও রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দুজনেই।

দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিশ সুপার দেবশ্রী দত্ত বুধবার সকালে জানিয়েছেন, উত্তর নারায়ণপুরের ঘটনায় ব্যবহৃত পিস্তলটি সুমন দাস নামক একজনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পিস্তলের পাশাপাশি বাড়ির ভেতর থেকে চারটি তাজা বোমাও উদ্ধার হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে সঞ্জিত সরকারের পরিবারের তরফে অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। এপর্যন্ত মোট সাত জনকে গ্রেফতার করা হলেও সুমন দাস এখনও পলাতক। ধৃতদের মধ্যে তিনজন মহিলা ও রয়েছেন। এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্প বসিয়ে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মৃত কালিপদর সরকারের দেহ মঙ্গলবারই তা দাহ করেছেন তাঁর পরিবারের লোকেরা। অন্যদিকে মৃত সঞ্জিত সরকারের দেহ মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর বুধবার তাঁর বাসভবনে পৌঁছাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।