কলকাতা : সল্টলেক তন্তুজ ভবনে শুরু হল বালুচরী বস্ত্র সংগ্রহ শিবির। চলবে তিন দিন পর্যন্ত।

শুক্রবার তার শুভ উদ্বোধন করেন ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যেগ সমূহ এবং বস্ত্র দফতরের রাষ্ট্র মন্ত্রী তথা তন্তুজ সংস্থার সভাপতি স্বপন দেবনাথ।প্রায় ১৫০ জন বালুচরি তাঁত শিল্পী এই শিবিরে অংশগ্রহণ করে।

তবে বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। কারোনাকে মাথায় রেখে বালুচরি শাড়ি বাছাই এর জন্য চার জন করে ভিতরে ঢুকতে পারবে।যাতায়াতের জন্য দফতরের তরফ থেকে গাড়ির ব্যবস্থা থাকছে।

ঐতিহ্যমন্ডিত তাঁত শিল্পের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বাংলার বালুচরী শিল্প। সুপ্রাচীন সময় থেকে বাংলার তাঁত শিল্পীরা ঐতিহাসিক মহাকাব্য, রাজাবাদশার রোজনামচার নানান ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন বালুচরি শাড়ি পাটে পাটে। কিন্তু সময়ের স্রোতে বহু প্রসিদ্ধ শিল্পীর মতো বালুচরী শিল্প একসময় সংকটের সম্মুখীন হয়েছিল ২০১০ সালে তন্তুজ এর অন্তর্ভুক্ত তাঁতশিল্পী ছিল আনুমানিক ২০০ জন যাদের উৎপাদিত মূল্য ছিল প্রায় ১০ লাখ টাকা।

পরবর্তীকালে সরকার ও বস্ত্র দফতরে উদ্যোগে বহুমুখী পরিকল্পনা রূপায়িত করে বালুচরি শিল্পকে উৎকর্ষ এবং উন্নতির নতুন পর্যায়ে নিয়ে যায়। নবাবী আমলের প্রায় লুপ্ত হয়ে যাওয়া দশটি ডিজাইন পুনরুদ্ধার এবং উৎপাদন। ২০২০ সালে তন্তুজ এর অন্তর্গত বালুচরী তাঁত শিল্প সহায়ক কুশলী সংখ্যা প্রায় ২০০০। বাৎসরিক প্রায় দু’কোটি টাকার বালুচরী শাড়ি এবং বালুচরীর ডাইভারসিফায়েড পণ্য কিনে থাকে।

সাম্প্রতিক কোভিড -১৯অতিমারীর প্রকোপে তাঁত শিল্পীদের উৎপাদিত বস্ত্র যখন ঘরে ঘরে জমে আছে, সেই সময় সরকারের অনুপ্রেরণায় এবং তন্তুজ সভাপতি তথা বস্ত্র মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এর উদ্যোগে তন্তুজ আয়োজন করেছে বালুচুরি বস্ত্র সংগ্রহ শিবির।

৩/৫/৭ জুলাই তিন দিনব্যাপী এই সংগ্রহ শিবিরে বিষ্ণুপুর বালুচরী তাঁত শিল্পীদের উৎপাদিত বস্ত্র সামগ্রী ক্রয় করবে তন্তুজ।প্রায় ১৫০ জন বালুচরি তাঁত শিল্পী এই শিবিরে অংশগ্রহণ করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ