কলকাতা: বিধানসভা ভোট শিয়রে। বাংলা জুড়ে প্রচারে ঝড় তুলেছে শাসক-বিরোধী সব পক্ষ। এই আবহে ফি-বারের মতো এবারও রাজনৈতিক দলগুলির প্রতীক ও নেতা-নেত্রীদের ছবির আঙ্গিকে নিত্যনতুন মিষ্টি বানিয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে কলকতার প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকান বলরাম মল্লিক রাধারমণ মল্লিক। ভোটের বাজারে তাঁদের এই মিষ্টি বাজার ধরতে দারুণ সাড়া ফেলবে বলে মনে করছেন এই দোকানের কর্ণধাররা।

ভোটের বাংলা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রা সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল। বামেরাও এক দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে শুক্রবার। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকি দলগুলিও প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দেবে। এককথায় ভোটের বাংলা জমজমাট। ফি দিন রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে দেখা মিলছে ভিনরাজ্যের নেতাদের। রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুলেছে শাসক-বিরোধী সব পক্ষ। বিজেপির টার্গেট বাংলা। একুশের ভোটে রাজ্যে পালাবদল করতে চেষ্টায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না গেরুয়া ব্রিগেড।

প্রতি বারই নির্বাচন এলে কলকাতার-সহ জেলারও বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতীক, নেতা-নেত্রীদের ছবি-সহ মিষ্টি তৈরির ধুম পড়ে যায়। এই তৎপরতায় প্রতিবারের মতো এবারও সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে কলকতার প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকান বলরাম মল্লিক রাধারমণ মল্লিক। তৃণমূল, বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম সব দলের প্রতীক দিয়ে মিষ্টি তৈরি করেছে তাঁরা।

এবারের ভোটে সাড়া ফেলে দেওয়া স্লোগান ‘খেলা হবে’। সেই স্লোগান লেখা মিষ্টিও তৈরি করা হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দলগুলির প্রতীকই নয়, রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদেরও ছবির আঙ্গিকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে মিষ্টি। ভোটের বাজারে এই মিষ্টি ক্রেতাদের আরও বেশি আকর্ষণ করবে বলে দাবি দোকানের কর্ণধারের।

কলকতার প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকান বলেই পরিচিত বলরাম মল্লিক রাধারমণ মল্লিক। বাংলার বিশিষ্টজনেদের বাড়িতে আজও এই দোকান থেকেই মিষ্টি পৌঁছায়। এমনকী খোদ বিগ বি অমিতাভ বচ্চনও নাকি কলকাতায় এসে এই দোকান থেকে মিষ্টি কিনে নিয়ে গিয়েছেন। ক্রিকেট তারকা সচিন তেন্ডুলকর কলকাতায় এলেই ছুটে আসেন এই দোকানে। শহর কলকাতার প্রসিদ্ধ এই মিষ্টির দোকান থেকে বাড়ির জন্য মিষ্টি কিনে নিয়ে যান তিনি। এছাড়াও বহু নামী-দামী সিল্পী-তারকা কলকাতায় এলেই মিষ্টির জন্য তাঁদের প্রথম পছন্দ বলরাম মল্লিক রাধারমণ মল্লিক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।