নয়াদিল্লি: পুলওয়ামায় হামলার পর বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক করে পাকিস্তানকে বার্তা দিয়েছিল ভারত। আর তাতেই কাজ হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রের। ওই এয়ারস্ট্রাইকের পর পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

মঙ্গলবার লোকসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, বালাকোটে স্ট্রাইকের পর অনুপ্রবেশ কমেছে ৪৩ শতাংশ। ২০১৯-এর প্রথম দিকের রিপোর্ট তেমনটাই বলছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, ‘সীমান্তে অনুপ্রবেশের ক্ষেতরে জিরো টলারেন্স পলিসি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবছরের প্রথমার্ধে তার ফল পাওয়া গিয়েছে। একধাক্কায় ৪৩ শতাংশ অনুপ্রবেশ কমেছে।’

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে সীমান্তে পেরিয়ে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল ভারত। জয়েশ-ই-মহম্মদের টেরর ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দিয়ে আসা হয়েছিল। আর সেই হামলার পর থেকেই ভারত নিয়ে স্ট্র্যাটেজি বদলেছে ইসলামাবাদ।

এর আগে বায়ুসেনা প্রধানও বলেন, বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর থেকেই ভারতীয় নিয়ন্ত্রণরেখা পার করার সাহস দেখায়নি ইসলামাবাদ৷ বায়ুসেনা প্রধান বিএস ধানোয়া দাবি করেন পাকিস্তান যতই নিজের আকাশপথ ভারতের জন্য বন্ধ করে রাখুক, তাতে বিশেষ কিছু প্রভাব পড়ে না নয়াদিল্লির৷

এয়ার চিফ মার্শাল বলেন পাকিস্তানের সঙ্গে দুরত্ব বজায় রাখলেও, অসামরিক বিমান চলাচলে ভারতের তরফে কোনও প্রভাব পড়েনি৷ বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের কথা উল্লেখ করে বলেন, ভারতীয় বায়ুসেনা নিজেদের গৌরব বজায় রেখেছে৷ বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর এতটাই ভয় পেয়েছে পাকিস্তান, যে একটি পাক জেটও তারপর থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা পার করার সাহস দেখায়নি৷

ভারতীয় বায়ুসেনা যে উদ্দেশ্য নিয়ে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক করেছিল, সেই উদ্দেশ্য সফল হয়েছে বলেও জানান ধানোয়া৷ তিনি বলেন নয়াদিল্লি নিজের বায়ুসেনার শক্তি প্রদর্শন করতে সফল হয়েছে৷ প্রতিবেশী দেশ বুঝেছে ভারতীয় বায়ুসেনা কোন ধাতুতে গড়া৷ কারণ তারপর থেকে পাক সেনা অনেকবারই সেনা ছাউনিতে আঘাত করতে চেয়েছে, যার একটাও সফল হয়নি৷