ফাইল ছবি

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ রাজ্য ‘সরকার দাম্ভিকতা প্রদর্শণে অবিচল। জাতি গড়ার কারিগরদের জীবিকার মানোন্নয়নে সর্বভারতীয় সাম্মানিক প্রদানে নিস্পৃহ, নির্দয়’ অভিযোগ তুলে বাঁকুড়া জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সামনে অবস্থান ও প্রতিকী অনশনে বসলেন শিক্ষকরা। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে এই প্রতিকী অনশনে ১৮ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। একই সঙ্গে প্রায় ১৫০ জন শিক্ষক এই আন্দোলনকে সমর্থণ করে অবস্থানে বসেছেন।

আন্দোলনরত পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির, বাঁকুড়া জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সংসদ সচিবকে ৯ দফা দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়েছে। ঐ স্মারকলিপিতে কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ্যভাতা চালু, গ্যাচুইটির উর্দ্ধসীমা ২০ লক্ষ টাকা করা, পেনশান কমিউটেশনের মেয়াদ ১৫ বছরের পরিবর্তে ১০ বছর করার দাবী জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দীনবন্ধু ভূষণ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই প্রথম পে কমিশন প্রকাশের দু’মাস অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পরেও শিক্ষা দপ্তর থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির কোন নির্দেশিকা জারি হয়নি।

গ্রেড পে বৃদ্ধির নামে শিক্ষকদের সঙ্গে ‘প্রহসন’ করা হয়েছে দাবী করে তিনি বলেন, রোপা-২০০৯ এর আওতায় এনে বিভাগীয় নির্দেশ জারি করে রোপা ২০১৯ এর আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে মাসিক চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা বন্ধ করে ওয়েস্ট হেল্থ স্কিমে শিক্ষকদেরও আনার দাবী জানান তিনি। সংগঠনগতভাবে তাদের দাবী দাওয়া নিয়ে তাদের আন্দোলন রাজ্যের প্রতিটি চক্রে সংগঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবী পূরণ না হলে ১১ ডিসেম্বর থেকে কলকাতার বিকাশ ভবনের সামনে তারা আমরণ অনশনে বসবেন বলে তিনি জানান।