স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: নিজের ভোট নিজে দিন৷ এই শ্লোগান তুলে জেলা জুড়ে প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন কর্মসূচি শুরু হয়েছে৷ সোমবার সারা দিন ধরে পালিত হল ‘ভোট বন্ধন’ কর্মসূচি৷ এদিন পথ চলতি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বাস চালক, যাত্রী, নানান কাজে পথে বেরোনোর মানুষের হাতে ”সবাই মোরা ভাই ভাই, নিশ্চিন্তে ভোট তাই’ লেখা সুদৃশ্য রাখি পরিয়ে দেওয়া হয়।

আগামী ১২ মে বাঁকুড়ার দুই লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। তার আগে জেলা জুড়ে প্রশাসনের উদ্যোগে শুরু হল এই অভিনব ‘ভোট বন্ধন’ কর্মসূচি। সোমবার কোতুলপুর ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় মা সারদা ক্লাব প্রাঙ্গনে ‘ভোট বন্ধন’ কর্মসূচি শুরু হয়৷ উপস্থিত ছিলেন বিডিও পরিমল গায়েন সহ ব্লক প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।

এ প্রসঙ্গে কোতুলপুরের বিডিও পরিমল গায়েন বলেন, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সঙ্গে কোতুলপুর ব্লক প্রশাসনের তরফেও ভোট বন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আমরা চাইছি লোকসভা নির্বাচনে প্রতিটি ভোটার অংশগ্রহণ করুন ও নিজের ভোট নিজেই দিন।

বৃহত্তর গণতান্ত্রিক স্বার্থে নিজেদের সরকার নিজেরাই গঠন করুন এই বার্তা দিয়ে তিনি আরো বলেন, নতুন পুরনো সব শ্রেণীর ভোটারকেই ভোটদানে উৎসাহিত করাই এই অনুষ্ঠানের অন্যতম লক্ষ্য। গণতন্ত্রের বৃহত্তম উৎসবে প্রতিটি ভোটার নির্ভয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন এই আবেদন তিনি সর্বস্তরের মানুষের কাছে রাখেন।

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষ্যে অবাধ ভোটদানের লক্ষ্যে প্রশাসনের এই উদ্যোগ যথেষ্ট প্রশংসনীয় বলেই অনেকে মনে করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, নিজের ভোট নিজে দিন-এই বার্তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ‘ভোট বন্ধন’ কর্মসূচি খুব ভালো সাড়া ফেলেছে। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে তিনি খুব খুশি৷

তিনি আরও বলেন, বিডিও নিজে উপস্থিত থেকে নিজের ভোট নিজে দেওয়ার কথা বলে আমাদের সাহস দিয়ে গেলেন। এই বার্তা অন্যান্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে তারা সাহায্য করবেন বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।