নয়াদিল্লি: অতিমারি করোনার জেরে বন্ধ সমস্ত কোয়ালিফায়িং ইভেন্ট। এমন সময় যাদের টোকিও অলিম্পিকে যোগ্যতাঅর্জনের বিষয়টি প্রশ্নচিহ্নের সামনে, পরিস্থিতি তাদের কাছে আরও চ্যালেঞ্জিং। সাফ জানালেন ভারতের প্রথমসারির কুস্তিগীর বজরং পুনিয়া। তবে অলিম্পিকে যারা ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছেন তাদের কাছে সময়টা লক্ষ্য স্থির করার। মত এশিয়াডে সোনাজয়ী কুস্তিগীরের।

লকডাউন পরবর্তী সময় সম্প্রতি ইনস্পায়ার ইনস্টিটিউট অফ স্পোর্টসে জর্জিয়ান কোচ শাকো বেন্টিনিদিসের তত্ত্বাবধানে অলিম্পিকে পদকজয়ের প্রস্তুতি শুরু করেছেন ৬৫ কেজি বিভাগে বিশ্বের প্রথমসারির এই শাটলার। আইআইএসের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আয়োজিত এক ওয়েবিনারে পুনিয়া বলেন, ‘আমার লক্ষ্য স্থির যে আমাকে অলিম্পিকে ভালো ফল করতেই হবে। সময়টা তাদের জন্য ভীষণ চ্যালেঞ্জিং যারা এখনও অলিম্পিকে যোগ্যতাঅর্জন করে উঠতে পারেনি। কোনওরকম প্রতিযোগীতায় অংশ না নেওয়ার জন্য আমার পারফরম্যান্স খারাপ হয়ে গেলে আমার কী করার থাকতে পারে?’

তবে লকডাউনে ঘরবন্দী থাকলেও একদিনের জন্যও অনুশীলন মিস করেননি তিনি। ওয়েবিনারে জানিয়েছেন হরিয়ানার কুস্তিগীর। একইসঙ্গে অনুষ্ঠানে তার জর্জিয়ান কোচকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বজরং। উল্লেখ্য, করোনা আবহেও ছাত্রের অলিম্পিক প্রস্তুতিতে পাশে থাকতে সুদূর জর্জিয়া থেকে উড়ে এসেছেন শাকো বেন্টিনিদিস। ভারতীয় কুস্তিগীর তাঁর কোচকে নিয়ে জানিয়েছেন, আমার কোচ নিজের নিরাপত্তার আগে আমাকে নিয়ে ভেবেছেন। বজরং বলেন, ‘আমি আমার কোচকে ভীষণ ধন্যবাদ জানাতে চাই, যিনি ভারতে ব্যাপক হারে করোনা আক্রান্তের খবর পেয়েও জর্জিয়া থেকে চলে এসেছেন।’

উনি আমার জন্য নির্দিষ্ট স্ট্র্যাটেজি তৈরি করেছেন। একইসঙ্গে উনি আমায় বলেছেন টেকনিকে সামান্য পরিবর্তন আনতে, কারণ প্রতিদ্বন্দ্বীরা আমার টেকনিক সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।’ বজরং (৬৫ কেজি) ছাড়াও দীপক পুনিয়া (৮৬ কেজি), রবি দাহিয়া (৫৭ কেজি) এবং ভিনেশ ফোগত (৫৩ কেজি/মহিলা) এখনও অবধি টোকিও অলিম্পিকের টিকিট নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে অলিম্পিক ওয়েট ক্যাটেগরি কুস্তিগীরদের জাতীয় শিবির চালু হচ্ছে। পুরুষদের শিবির অনুষ্ঠিত হবে সোনপতে এবং মহিলাদের শিবির অনুষ্ঠিত হবে লখনউয়ে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও