নয়াদিল্লি: আপনিও কি বাজাজ চেতক ইলেকট্রিক স্কুটি কেনার কথা ভাবছেন? তাহলে আপনাকে এবার গুনতে হবে বেশি কড়ি। বাজাজ চেতক চালু হওয়ার পর থেকে দু’বার দাম বাড়িয়েছে সংস্থা। এমনকি গত সপ্তাহে বুকিং শুরু করলেও মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বুকিং বন্ধ করতে হয়েছিল।

আরও খবর পড়ুন – বাঁচার জন্য ওষুধ নয়, সুরা চাই, দিল্লির মদের দোকানের লম্বা লাইন তাই বলছে

২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি বাজাজ চেতক বাজারে এসেছিল। এরপর থেকে এর দাম বেড়েছে ৪২ হাজার ৬২০ টাকা অবধি। লঞ্চের সময় যে দাম ছিল, তার তুলনায় দাম বেড়েছে ৪২ শতাংশ। গত বছর বাজাজ চেতকের একটি ভার্সন ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। এখন সেই মডেলের-এর দাম বেড়েছে আরও ৫ হাজার টাকা।

নতুন ইলেকট্রিক এই স্কুটার এক চার্জেই চলতে পারবে প্রায় ১০০ কিলোমিটার। ইকো মুডে এই স্কুটার চলতে পারে ৯৫ কিলোমিটার। আর স্পিড মুডে এই স্কুটার চলবে ৮৫ কিলোমিটার। নতুন এই স্কুটারে আছে ৪ কেডবলু ইলেকট্রিক মোটর। এই মোটরের সঙ্গের থাকছে আইপি৬৭ লিথিয়াম ব্যাটারি। এই ব্যাটারি চার্জ হতে সময় লাগবে ৫ ঘন্টা। স্কুটিতে রয়েছে এলইডি হেডলাইটও।

আরও খবর পড়ুন – করোনায় কাবু দেশ, পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে আজ কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক বসছে রাজ্য

এই স্কুটার দুটি আলাদা মোডে চালাতে পারবেন চালকেরা। এছাড়াও এই স্কুটারে রয়েছে ঝা চকচকে লুক। আকর্ষণীয় হেড লাইট। এমনকি স্মার্টফোন কানেক্টিভিটির সুবিধাও রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে করোনার জেরে উৎপাদন ব্যহত হওয়ার ফলে আগে বুকিং বন্ধ রাখা হয়েছিল।

একসময়ে মধ্যবিত্ত ভারতীয়দের কাছে বাজাজ চেতক ছিল প্রবল জনপ্রিয়। নস্টালজিকতা মানেই বারবার ঘুরে ফিরে আসে এই চেতক। কিন্তু হালফিলের নামীদামী বাইক বা স্কুটারের সঙ্গে তাল না রাখতে পেরে এক সময়ে ভারতের বাজার থেকে হারিয়ে যায় চেতক। কিন্তু ২০২০ সালে ফের কামব্যাক করে চেতক, আর এসেই একেবারে বাজার কাঁপিয়ে দেয় এই স্কুটি।

আরও খবর পড়ুন – BREAKING: নজরে করোনা, সরকারি হাসপাতালে বন্ধ কম জরুরি অপারেশন

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.