মুম্বই: লকডাউন থেকে আনলক প্রক্রিয়া শুরু হলেও স্বস্তি নেই কারখানার। আনলক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এবার উৎপাদন শুরু হয়েছিল কিন্তু সেখানেও করোনার ধাক্কায় নতুন করে জটিলতা দেখা দিচ্ছে। বাজাজ অটোর কারখানা খোলার পর দেখা গিয়েছে ২৫০ জন কর্মী করোনা আক্রান্ত। এই পরিস্থিতিতে সাময়িক কারখানা বন্ধ করে দেবার আবেদন জানিয়েছেন ওই কারখানার কর্মী ইউনিয়ন।

লকডাউনে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পশ্চিম মহারাষ্ট্রে ঔরঙ্গাবাদে অবস্থিত বাজাজ অটোর কারখানাটি খুলেছিল। কিন্তু সেখানে কারখানার বহু শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায়‌ দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন বাকি শ্রমিকরা। এদিকে আবার কতৃপক্ষ কর্মীদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছে ,কাজে না আসলে কর্মীদের বেতন কাটা হবে। ফলে এক নতুন জটিলতা দেখা গিয়েছে এই কারখানায়।

এদিকে বাজাজ অটো ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ‌ থেঙ্গারি বাজিরাও জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে কর্মীরা কাজ আসতে ভয় পাচ্ছেন। এর মধ্যে কিছু কর্মী আসতে বাধ্য হলেও অনেকেই ছুটি নিয়েছেন বলে তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সংস্থান পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানায়, এই কারখানার প্রায় ৮০০০ কর্মীর মধ্যে ১৪০ জন ‌ করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে আবার দুজন কর্মী মারা গিয়েছেন। তবে কারখানার কাজ বন্ধ করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। উল্টে এই ভাইরাসটি সঙ্গে নিয়েই চলার শিক্ষা অর্জন করতে চায় বলে জানিয়েছে বাজাজ কর্তৃপক্ষ। কারখানার শ্রমিক এবং ইউনিয়ন নেতার‌ বক্তব্য, বাজাজ কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে কারখানা ফ্লোরে এবং কাফেটেরিয়া সোশ্যাল ডিসটেন্স বজায় রাখার।

তাছাড়া বাসে আলাদা সিট, মাস্ক স্যানিটাইজার ইত্যাদি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এটাই কি যথেষ্ট সেই প্রশ্ন তুলেছে তারা। এদিকে ঔরঙ্গবাদ জেলার এক আধিকারিক জানান, ওয়ালুজে বাজাজের কারখানায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৫০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে বাজাজ অটো পক্ষ থেকে কিছু জানায়নি।

এই পরিস্থিতিতে ইউনিয়ন নেতা বাজিরাও, কারখানা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে সাময়িক ১০-১৫ দিন এই কারখানা বন্ধ রাখার যাতে এই সাইকেল ভেঙে যায়। কিন্তু তাকে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটা কি করে সম্ভব যেখানে কাজের বাইরে সামাজিক অনুষ্ঠানে লোকজন মিলিত হচ্ছে বলে তিনি জানান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ