কলকাতা: এবার ‘বেসুরো’ হাওড়ার বালির তৃণমূল বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া। দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বৈশালী। বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রের দলেরই একাংশকে বিঁধে তাঁর খোঁচা,‘‘প্রধানমন্ত্রীকেই বহিরাগত বলা হচ্ছে, আমি তো কোন ছাড়!’’। একুশের বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে বৈশালী এই মন্তব্যে জল্পনা ছড়িয়েছে।

একুশের ভোটের আগে শাসক তৃণমূলে অস্বস্তি বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যেই দলের এক বিধায়ক যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। বেশ কয়েকজন বিধায়ক প্রকাশ্যেই দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের ‘হাইটেক ট্রিটমেন্টে’ যে অনেকেই মানিয়ে নিতে পারছেন না, প্রকাশ্যে মুখ খুলে তা বুঝিয়েও দিয়েছেন তাঁরা। তবে বৈশালীর বিষয়টি ভিন্ন। বিধায়কের নামে সম্প্রতি বেশ কিছু পোস্টার পড়েছিল বালিতে। বেশ কয়েকটি পোস্টারে বৈশালীকে ‘বহিরাগত’ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে।

বালির স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, বৈশালীকে এলাকায় পাওয়া যায় না। এমনকী তাঁর কাজে অনেকেই খুশি নন। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনেকের সঙ্গেই নাকি বনিবনা নেই বৈশালীর। সেই কারণেই বালিতে দলের কর্মসূচি রূপায়নেও সমস্যা তৈরি হয় বলে অভিযোগ। বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে বিধায়ককে নিয়ে দলেরই একাংশের এই ক্ষোভে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের অস্বস্তি বেড়েছে।

যদিও বৈশালী নিজে তাঁর বিরুদ্ধে তোলা দলের কর্মীদের একাংশের টিপ্পনিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। পাল্টা দলেরই ওই অংশের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন বালির তৃণমূল বিধায়ক। যদিও তাঁর বক্তব্যে নয়া জল্পনা তৈরি হয়েছে। বৈশালীর কথায়,‘‘ প্রধানমন্ত্রীকেই বহিরাগত বলা হচ্ছে। আমি তো কোন ছাড়।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।