রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • সব জল্পনার উত্তর দিতেই এই সাংবাদিক বৈঠক বলে জানালেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • বিগত কয়েকদিন ধরে অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছে, বললেন বৈশাখী।
  • শোনা যাচ্ছে, আমি কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে চলেছি। তাই এই সাংবাদিক বৈঠক।
  • গত ২ মার্চ বিজেপির এক নেতা বৈশাখীকে ফোন করে যোগ দেওয়ার অফার দিয়েছিলেন। তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে আসার কথাও বলা হয়েছিল।
  • স্বল্প সময়ের জন্য তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের পদে ছিলাম। পরে সেখান থেকে অপসারণ করা হয়েছে: বৈশাখী।
  • তৃণমূলের সঙ্গে একটা ক্ষীণ সম্পর্ক ছিল। এখন আর কোনও সম্পর্ক নেই।
  • কৈলাশ বিজয়বর্গী, অরবিন্দ মেনন ও মুকুল রায়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে কিনা, সেই প্রসঙ্গে মাথা নেড়ে সায় দিলেও স্পষ্ট জবাব দিলেন না বৈশাখী।
  • আমি কোনোভাবেই তৃণমূলের হয়ে প্রচার করব না। শোভনবাবু তৃণমূলের বিধায়ক, উনি কী করবেন সেটা ওনার সিদ্ধান্ত, বললেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী।
  • আমি ও শোভনবাবু গোটা শহরেই প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াই। ঝোপ-ঝাড় থেকে ছবি তোলার দরকার নেই। আমরা একসঙ্গে রায়চকেও যাই: বৈশাখী।
  • সেদিনের ঝামেলার পর সূর্যবাবুর ট্যুইট করেন। সেই প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেন, ‘সেদিন সূর্যবাবুর ট্যুইট আমার কষ্টে মলম লাগিয়েছে। তাহলে তো চাইলে সিপিএমেও যেতে পারি।’
  • শোভন অনেক অভিজ্ঞ রাজনীতিক। তাঁকে কোনোভাবেই জোর করে বিজেপিতে নিয়ে যাবেন না বলে উল্লেখ করলেন বৈশাখী।