হায়দরাবাদ: ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার উদ্যোগে পিভি সিন্ধু সহ দেশের প্রথম সারির শাটলাররা ১জুলাই থেকে অনুশীলন শুরু করতে পারেন হায়দরাবাদের জাতীয় শিবিরে। কিন্তু গোটা বিষয়টি সম্ভব হবে যদি তেলেঙ্গানা সরকার বিএআই’কে অনুমতি প্রদান করে তবেই।

কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী গত মাস থেকে গাইডলাইন মেনে অনুশীলন শুরু করেছেন বেঙ্গালুরুর শাটলাররা। বেঙ্গালুরুর প্রকাশ পাড়ুকোন ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমিতে প্রস্তুতি চলছে তাঁদের। অথচ রাজ্যে কোভিড১৯ আক্রান্তের সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই সুযোগ এখনও হয়নি হায়দরাবাদি শাটলারদের। করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্যে ৩০ জুন অবধি লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েছে তেলেঙ্গানা সরকার। স্বাভাবিকভাবেই ক্রীড়ামন্ত্রক অনুমতি দিলেও অনুশীলন শুরু করা সম্ভব হয়নি হায়দরাবাদি শাটলারদের।

বিএআই সেক্রেটারি অজয় সিঙ্ঘানিয়া পিটিআই’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘অতিমারির জেরে শাটলারদের অনুশীলনের বিষয়টি এখনও শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ১জুলাই থেকে হায়দরাবাদে প্রস্তুতি শিবির শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। তবে গোটা বিষয়টি তেলেঙ্গানা সরকারের অনুমোদনের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।’ তবে প্রস্তুতি শুরু হলেও ঘরোয়া কোনও টুর্নামেন্ট সেপ্টেম্বরের আগে অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানিয়েছেন সিঙ্ঘানিয়া।

তাঁর কথায়, ‘সমস্ত রাজ্য সচিবদের সঙ্গে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার। পারিপার্শ্বিক সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা পর সম্মিলিত ভাবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যে সেপ্টেম্বরের আগে কোনও ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজিত হবে না। অতিমারির পরিস্থিতি পুনরায় সেপ্টেম্বরে পর্যালোচনা করা হবে এবং তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।’

করোনা আবহে গত মার্চ মাসেই সিনিয়র স্তরে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছিল ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ মে লখনউয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। অতিমারি করোনার জেরে এমনই একাধিক টুর্নামেন্ট হয় বাতিল কিংবা স্থগিত করার পথে হাঁটতে হয়েছে বিএআই’কে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ