নয়াদিল্লি: বর্তমানে দেশের মানুষ যখন পেট্রোল ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির মুখোমুখি হচ্ছে তখন তাদের কাছে আর একটা দুঃসংবাদ আসতে পারে। সেটা হল এবার কমতে পারে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার। চলতি অর্থবর্ষে সুদের হার কমতে পারে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর। তেমনটা যদি ঘটে তাহলে প্রায় ৬ কোটি  বেতনভুক্ত কর্মচারীদের কাছে এটা বড় ধাক্কা ।

সূত্রের খবর অনুসারে, বহু ইপিএফ সদস্য লকডাউনের সময় আর্থিক সংকটে পড়ে পিএফ এর টাকা তুলে নিয়েছেন। যার ফলে প্রভিডেন্ট ফান্ড কন্ট্রিবিউশন কমে গিয়েছে। এরফলে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও) সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুদের হার কমানোর ‌। এরপর আগামীকাল বৃহস্পতিবার ( ৪ মার্চ) ইপিএফও সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টি (সিবিটি) বৈঠকে বসছে নতুন হার কত করা যায় সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে। এই পরিস্থিতিতে সুদের হার কমতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২০২০তে শেষ হওয়া অর্থবর্ষে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন -এর আয় অনেকটাই ধাক্কা খেয়ে ছিল। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে ইপিএফও ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম এক সদস্য কেই রঘুনাথন জানিয়েছেন,  সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টি বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) শ্রীনগরে বৈঠকে বসছে। তবে তিনি সুদের ব্যাপারে কিছু জানাননি।

সরকার ঘোষণা করেছিল ২০১৯-২০ সালের জন্য ৮.৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হবে। এই বিষয়ে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টি আগে জানিয়েছিল এই ৮.৫ শতাংশ সুদ পাওয়া যাবে দুই কিস্তিতে ৩১ মার্চ অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগে। এর ৮.১৫ শতাংশ সুদ লগ্নি থেকে এবং ০.৩৫ শতাংশ ইকুইটি থেকে পাওয়া যাবে।

২০২০ অর্থবর্ষে ইপিএফ সুদের হার ছিল ৮.৫ শতাংশ যা ছিল সাত বছরে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৩ সালে ইপিএফ এ সুদের হার ছিল ৮.৫ শতাংশ। এর ঠিক আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে যে অর্থবর্ষ শেষ হয় সেবার সুদের হার ছিল ৮.৬৫ শতাংশ। ২০১৮ সালের অর্থবর্ষে ইপিএফও সুদের হার অফার করেছিল ৮.৫৫ শতাংশ। যেখানে তার আগে ২০১৬ সালে সুদের হার ছিল ৮.৮ শতাংশ এবং ২০১৪ সালে অংকটা ছিল ৮.৭৫ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।